advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শৃঙ্খলা ফিরেছে ওয়ারীর লকডাউন এলাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৭ জুলাই ২০২০ ০০:৪৬
advertisement

রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় লকডাউন শুরু হয়েছে গত ৪ জুলাই। কিন্তু শুরুতেই নানা অব্যবস্থাপনার কারণে এ এলাকায় লকডাউন বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে গতকাল সোমবার থেকে এলাকায় প্রবেশ ও বাহির হওয়াসহ নানা ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করায় কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে।

করোনা প্রকোপে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পূর্ব রাজাবাজারে প্রথম লকডাউন বাস্তবায়ন করা হয়। এতে সাফল্য মিললে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ওয়ারীকে দ্বিতীয় এলাকা হিসেবে গত শনিবার থেকে লকডাউন করা হয়, যা চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। ওয়ারীতে লকডাউনের অধীনে থাকা রোডগুলো হলোÑ টিপু সুলতান রোড, যোগীনগর রোড ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক (জয়কালী মন্দির থেকে বলধা গার্ডেন)। গলিগুলোর মধ্যে রয়েছে লারমিনি স্ট্রিট, হেয়ার স্ট্রিট, ওয়্যার স্ট্রিট, র‌্যাংকিন স্ট্রিট ও নবাব স্ট্রিট।

লকডাউন শুরু হওয়ার দিন থেকেই স্থানীয়রা কর্তৃপক্ষের বাধা উপেক্ষা করে এলাকায় প্রবেশ ও বাইরে যাচ্ছিলেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের হুমকি-ধমকির ঘটনাও ঘটেছে। তবে গতকাল থেকেই লকডাউন পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নে এলাকায় কড়াকড়ি আরোপ করে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে অতিপ্রয়োজন ছাড়া কাউকে এলাকার ভেতরে প্রবেশ ও বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

এদিকে ওয়ারীর ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন আরও ১৪ জন করোনা পজিটিভ বলে শনাক্ত হয়েছেন। ডিএনসিসি সূত্র বলছে, এ নিয়ে ওয়ারীতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৬০ জন। নতুন শনাক্ত হওয়া ১৪ জনের মধ্যে চারজনকে হাসপাতালে পাঠানা হয়েছে। এই চারজনের মধ্যে একজন বৃদ্ধ বাকিরা মধ্যবয়সী। বৃদ্ধ ওই ব্যক্তিকে পারিবারিকভাবে বেসরকারি একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে আর বাকি তিনজনকে সিটি করপোরেশনের দায়িত্বে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, লকডাউনের প্রথম দিনে ওয়ারীতে ১৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে গত রবিবার চারজনের ফল পজিটিভ আসে। ওই দিনই আরও ১৯ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। গতকাল তাদের মধ্যে ১০ জনের পজিটিভ আসে। এই ১০ জনকে বাসায় রেখেই চিকিৎসার

ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর সারোয়ার হাসান আলো বলেন, যারা করোনা পজিটিভ তাদের দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নিয়মিত ব্রিফ দিচ্ছেন।

লকডাউন বাস্তবায়নে কোনো অব্যবস্থাপনা নেই দাবি করে কাউন্সিলর বলেন, এখন প্রায় সবাই নিয়ম মানছে। তবে কিছু বিরোধিতাও রয়েছে। কিছু শিক্ষিত মানুষ জেনে ও বুঝে লকডাউন অমান্যের চেষ্টা করছেন। তারা কেন এমন করছেন জানি না। এটি কাম্য নয়। এলাকাবাসী সহযোগিতা করলে লকডাউন সফলভাবে বাস্তবায়ন হবে।

advertisement
Evaly
advertisement