advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বার্সেলোনায় স্থায়ী কনস্যুলেট চায় প্রবাসীরা

লোকমান হোসেন,স্পেন
৭ জুলাই ২০২০ ১২:৫৭ | আপডেট: ৭ জুলাই ২০২০ ১৩:০৬
পুরোনো ছবি
advertisement

স্পেনে বাংলাদেশিদের আগমন মূলত নব্বইয়ের দশক থেকে। সময়ের ব্যবধানে দেশটিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি। রাজধানী মাদ্রিদ এবং পর্যটন নগরী বার্সেলোনায় বাংলাদেশিদের বসবাস বেশি।

মাদ্রিদে ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত সাতজন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বার্সেলোনা এবং ছারাগছায় দুটি নাম সর্বস্ব অস্থায়ী কনস্যুলেট অফিস আছে। যেখানে অনারারি কনস্যুল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন দুজন স্প্যানিশ নাগরিক। বর্তমানে কোথাও বাংলাদেশি কোনো কর্মকর্তা নেই।

কার্যত, বার্সেলোনার এ কার্যালয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের হারানো পাসপোর্ট, সনদসহ অন্যান্য সামান্য কিছু কাজ করার ক্ষমতা রাখে যা এক অর্থে প্রবাসীদের চাহিদার তূলনায় খুবই নগন্য। বার্সেলোনাতে বছরে পাঁচ থেকে ছয়বার মাদ্রিদের দূতাবাস কর্মকর্তারা ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলেট সেবা প্রদান করে আসছেন। সেবাগুলো কাতালোনিয়া (বার্সেলোনা) প্রদেশের প্রায় পঁচিশ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশির জন্য অপ্রতুল। ফলে বার্সেলোনায় বসবাসকারী বাংলাদেশিদের প্রায় ৬৫০ কি.মি. পথ পাড়ি দিয়ে মাদ্রিদে যেতে হয় পাসপোর্ট, ভিসাসহ অন্যান্য কাজের জন্য।

সম্প্রতি বার্সেলোনায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা একটি স্থায়ী কনস্যুলেট অফিস স্থাপন অথবা অস্থায়ী কনস্যুলেট অফিসকে আরও বড় কর্মপরিসর বৃদ্ধির দাবি তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্পেন-বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফাজ জনি একটি স্ট্যাটাস দেন এ ব্যাপারে। জানা গেছে, যাদের নিয়ে তিনি এসব দাবি করছেন, তারাও বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষকে নিজেদের অবস্থান জানান দেন।

আফাজ জনি তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, কাতালোনিয়া (বার্সেলোনা, শান্তাকলমা) প্রদেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৃহৎ একটি অংশের বসবাস। অনেক ক্ষেত্রে মনে হয় এখানকার প্রবাসীরা বাংলাদেশ সরকারের অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বিভিন্ন সময় সরকারের উচ্চ পদে থাকা কর্তাদের আশ্বাস বাস্তবে কখনো রুপ নিতে দেখিনি। যদিও দূতাবাস পাসপোর্ট সংক্রান্ত ব্যাপারে বছরে কয়েকদিন কাউন্সিল সেবা প্রদান করে আসছে। কিন্তু সেবাটি প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। আবার এটি পরিচালনায় বিভিন্ন সময় সঠিক সিদ্ধান্তের অভাবে প্রবাসীরা হয়রানীরও শিকার হচ্ছেন।

কাতালোনিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের কনস্যুলার সেবার তিনটি ধরন নিজের পোস্টে উল্লেখ করেছেন স্পেন-বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক। সেগুলো হলো-

৹ স্থায়ী কনস্যুলার সেবা কেন্দ্র স্থাপন।

৹ কনস্যুলার সেবা কেন্দ্রটি স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত- প্রতিমাসে কমপক্ষে একবার কনস্যুলার সেবা প্রদান।

৹ বার্সেলোনা প্রবাসীদের  নবায়নকৃত বা নতুন পাসপোর্ট অনারারি কাউন্সিল অফিস ( সি. রামন পেদ্রোর অফিস) থেকে সংগ্রহের ব্যবস্থা।

এ ব্যাপারে স্পেনে বাংলাদেশি মানবাধিকার কর্মী মোহামেদ কামরুল বলেন, ‘অস্থায়ী কনস্যুলার সেবা নিতে গেলে অনেক সময় সেবা গ্রহীতারা রাস্তায় দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেন যা স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নিষিদ্ধ এবং দৃষ্টিকটু। এতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। আমাদের যে দাবিগুলো আছে, তা পূরণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং মাদ্রিদে দূতাবাসের প্রতি আহ্বান জানাই।

এ ব্যাপারে মাদ্রিদে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে কোনো মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

advertisement