advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনা মোকাবিলা
জাতিসংঘের ভূয়সী প্রশংসা বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৮ জুলাই ২০২০ ০২:০৯
advertisement

কোভিড-১৯ মোকাবিলার বৈশ্বিক প্রচেষ্টাগুলো এগিয়ে নিতে বিশেষ করে সংঘাতপূর্ণ স্থানে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, ‘বিশ্বের সব সংঘাতপূর্ণ এলাকায় তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধ থামাতে এ যৌথ বিবৃতি নিশ্চয়ই আপনার হাতকে আরও শক্তিশালী করবে।’ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ যে অবদান রেখে যাচ্ছে এ সময় তা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ আরও ৯টি দেশের (ইকুয়েডর, মিসর, জ্যামাইকা, জাপান, মালয়েশিয়া, ওমান, সেনেগাল, সেøাভেনিয়া ও সুইডেন) স্থায়ী প্রতিনিধি জাতিসংঘ মহাসচিবের বৈশ্বিক যুদ্ধবিরতির আবেদনে সাড়া দিয়ে

এক যৌথ বিবৃতি দেন, যা গত সোমবার ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মহাসচিবের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ১০ দেশের সহ-উদ্যোগে প্রণীত এ যৌথ বিবৃতি গত ২২ জুন প্রকাশ করা হয়। এটি জাতিসংঘের ১৭২টি সদস্যদেশ ও পর্যবেক্ষক সদস্যগুলো সমর্থন করে। মহাসচিবের আবেদনে এ পর্যন্ত এটিই ছিল সদস্য দেশগুলোর সর্বোচ্চ রাজনৈতিক সমর্থন। কোভিড ১৯-এর সময় যুদ্ধ ও বৈরিতার প্রভাবে বিপর্যস্ত মানবতার জন্য এ বিবৃতি বৈশ্বিক সংহতি ও মমত্ববোধের এক শক্তিশালী ও স্পষ্ট বার্তা।

বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘সংঘাতপূর্ণ অনেক পরিস্থিতিতে শান্তি আনতে আপনার আবেদন সফল হয়েছে, যদিও এখনো অনেকেই এতে এগিয়ে আসেনি এবং কেউ কেউ এর সঠিক প্রয়োগ করছে না।’

জাতিসংঘ মহাসচিব তার প্রতিক্রিয়ায় যৌথ বিবৃতিটিকে তার আবেদনের সপক্ষে সেরা ও গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন। এ জন্য সব সহ-উদ্যোক্তাকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বিবৃতিটির সহ-উদোক্তারা মহাসচিবের সাথে একমত পোষণ করেন। কোভিড ১৯-এর প্রেক্ষাপটে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিরতির পক্ষে রাজনৈতিক সমর্থন আদায়ে এ আবেদনটি ছিল মহাসচিবের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা। গত ২৩ মার্চ মহাসচিবের এ আবেদন প্রকাশের পর পরই যেসব দেশ এতে সমর্থন জানিয়েছিল, বাংলাদেশ তার অন্যতম।

advertisement
Evaly
advertisement