advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শুল্ক কমিয়ে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৮ জুলাই ২০২০ ০২:২৬
advertisement

চলতি বছর বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হলেও চুক্তিমূল্যে সরকারকে চাল সরবরাহে গড়িমসি করছে মিল মালিকরা। চালকল মালিকরা সরকারকে চাল না দিলে প্রয়োজনে আমদানি করা হবে বলে বেশ কিছু দিন ধরেই হুশিয়ার করে আসছিলেন খাদ্যমন্ত্রী। শেষমেশ সেই সিদ্ধান্তই নিতে হয়েছে। শুল্ক কমিয়ে বিদেশ থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা সুমন মেহেদি গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে উদ্ধৃত করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে আমদানি শুল্ক কমিয়ে

বিদেশ থেকে চাল আমদানি করা হবে।

চলতি বছর সাড়ে ১৯ লাখ টন বোরো ধান-চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে সরকার। সে অনুযায়ী ৩৬ টাকা কেজি দরে মিলারদের কাছ থেকে ১০ লাখ টন সিদ্ধ চাল, ৩৫ টাকা কেজিতে দেড় লাখ টন আতপ চাল এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ২৬ টাকা কেজিতে আট লাখ টন বোরো ধান কেনার কথা ছিল।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতিতে কিছু মিল মালিক ৩৬ টাকা কেজি দরে চাল সরবরাহ করতে গড়িমসি করে সরকারের কাছে চালের দাম বাড়ানোর দাবি তোলেন। অনেক মিল মালিক এখন চুক্তিমূল্যে চাল না দেওয়ায় মজুদের লক্ষ্য পূরণ করা নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার।

এর আগে গত ১ জুলাই চালকল মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছিলেন, এবার বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে; এই ভরা মৌসুমে চালের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার কোনো কারণ নেই। যদি কেউ অপচেষ্টার মাধ্যমে চালের মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা করে তা হলে কঠোর অবস্থানে যাবে সরকার। চালকল মালিকদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখেন, সরকারের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী সরকারি গুদামে চাল সরবরাহ করেন; যদি তা না করেন তবে সরকার চাল আমদানিতে যেতে বাধ্য হবে। সরকার আমদানিতে যেতে চায় না; গেলে মিলারদের লোকসান হবে এবং যেসব কৃষক ধান ধরে রেখেছে তারাও লোকসানে পড়বে। এ সময়ে যেসব মিল এগিয়ে আসবে তাদের ‘এ’ ‘বি’ ‘সি’ ক্যাটাগরিসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চিহ্নিত করার জন্য ইতোমধ্যেই খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেসব মিলকে পরবর্তীতে সেভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

মন্ত্রীর এ আহ্বানের পরও বাজারে চালের দাম বাড়তে থাকে। ছোট ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিল মালিক ও বড় ব্যবসায়ীরা কারসাজি চালানোয় চালের দাম বেড়েছে।

advertisement
Evaly
advertisement