advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সড়কে ঝরল এক পরিবারের ৪ জনসহ ১৪ প্রাণ
দুর্ঘটনা রোধে দৃঢ় পদক্ষেপ জরুরি

৮ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ৮ জুলাই ২০২০ ০২:৩৫
advertisement

করোনার কারণে সীমিত আকারে পরিবহন চললেও সড়কে দুর্ঘটনা রোধ করা যাচ্ছে না। গতকাল আমাদের সময়ে এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের চারজনসহ ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এদের মধ্যে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ৭ জন, ময়মনসিংহে ৫, সাভার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন করে নিহত হন। বীরগঞ্জ উপজেলায় বিআরটিসির বাসচাপায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানযাত্রী একই পরিবারের চারজন নিহত হন। তারা হলেনÑ বীরগঞ্জ উপজেলার সুজালপুর ইউনিয়নের জগদল গ্রামের আতিয়ার রহমানের স্ত্রী নার্গিস বেগম, তার ছেলে নাঈম (১৪), মেয়ে রুপা (৮) ও তার বোন ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আসমা বেগম। এভাবেই প্রায় প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু কিংবা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের সড়ক ব্যবস্থাপনার চিত্র এক কথায় ভয়াবহ। এ থেকে মুক্তি পেতে দেশের মানুষ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা প্রত্যাশা করে। কিন্তু প্রতিবার দুর্ঘটনার পর পরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই তদন্ত প্রতিবেদন কোনোদিন আলোর মুখ দেখে না। সঙ্গত কারণেই দোষীদের শাস্তিও হয় না। বিচারহীন, প্রতিকারহীন অবস্থায় কোনো কিছু চলতে থাকলে তার পুনরাবৃত্তি তো ঘটবেই। প্রশ্ন হচ্ছেÑ কত প্রাণ গেলে, মৃত্যুর মিছিল কত দীর্ঘ হলে তবে থামবে এ হত্যাযজ্ঞ?

আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গাফিলতি দুর্ঘটনা, প্রাণহানি বাড়াবে। ঈদকে সামনে রেখে রাস্তায় পরিবহনের সংখ্যা বাড়তে পারে এবং বেপরোয়া গাড়ি চলতে পারে। সেজন্য এখন থেকেই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবার আগে প্রয়োজন আইনের কঠোর প্রয়োগ। জনগণ নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তা চায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে উল্লেখিত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির জন্য দায়ীদের অবশ্যই আইনানুগ শাস্তি প্রদান এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেবেÑ এটাই প্রত্যাশা।

advertisement
Evaly
advertisement