advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রোগীদের ৭৮ ভাগই উপসর্গহীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৮ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৮ জুলাই ২০২০ ০৩:০১
advertisement

যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মাত্র ২২ ভাগের ক্ষেত্রে উপসর্গ টের পাওয়া গেছে। বাকি ৭৮ ভাগ রোগীই উপসর্গহীন। আর এসব লক্ষণবিহীন রোগী নিজের অজান্তেই শনাক্ত হওয়ার আগে অনেকের মাঝে সংক্রমণ ছড়িয়ে দিয়েছেন। বিবিসি গতকাল এ খবর দেয়।

নতুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে যুক্তরাজ্য শীর্ষ অষ্টম দেশ। আর মৃতের তালিকায় বিশ্বে তৃতীয়।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, গত রাত ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে ২ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৪৪ হাজার ২৩৬।

বিবিসি জানিয়েছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা এবং যারা বাড়ির বাইরে গিয়ে কাজ করছেন, তারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বেশি।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওই গবেষণার বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, যারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের, অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় তারা বেশি পজিটিভ হয়েছেন। যার অর্থ হলো, তারা অতীতে অন্য কোনো সংক্রামকে আক্রান্ত ছিলেন। শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে অ্যান্টিবডি পজিটিভ খুব কম পাওয়া গেছে।

গবেষণায় এও দেখা গেছে, ছোট পরিবারের তুলনায় বড় পরিবারে করোনা আক্রান্তের হার বেশি। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নারীর চেয়ে পুরুষের বেশি সংখ্যায় মারা যাওয়ার চিত্র ধরা পড়েছে এ গবেষণায়।

উপসর্গহীন রোগীরা কীভাবে কেয়ার হোমগুলোয় করোনা সংক্রমণ বাড়িয়েছেন, সে বিষয়ে সোমবার কথা বলেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, অনেক কেয়ার হোমই স্বাস্থ্যবিধি ঠিকমতো মানেনি।

বরিস জনসনের এমন মন্তব্যে কেয়ার হোম কমিউনিটিতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে তার বাণিজ্য সচিব অলক শর্মা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ‘আসলে বোঝাতে চেয়েছিলেন, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি কারোরই জানা ছিল না সে সময়।’

লক্ষণবিহীন সংক্রমণ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ব্রিটিশ সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টারা প্রথম থেকেই সতর্ক করে আসছেন। কিন্তু উপসর্গহীন রোগীরা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, সে বিষয়ে কেউই এখনো স্পষ্ট করে কোনো কিছু বলতে পারেনি।

advertisement