advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রিজেন্ট হাসপাতাল-স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তির ব্যাখ্যা চায় মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ জুলাই ২০২০ ১২:১৬ | আপডেট: ৯ জুলাই ২০২০ ১৩:২৬
রিজেন্টের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তির সই হয়েছিল গত ২১ মার্চ। পুরোনো ছবি
advertisement

লাইসেন্স না থাকায় তিনবার অভিযান চালানো হয়েছিল রিজেন্ট হাসপাতালে। শুধু তাই নয়, করা হয়েছিল জরিমানাও। তা জেনেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে বেসরকারি এই হাসপাতালটির সঙ্গে চুক্তি করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এখন লাইসেন্স নবায়ন না করে কীভাবে রিজেন্ট হাসপাতাল ‘কোভিড ডেডিকেটেড’ হাসপাতাল হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হলো; জানতে এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্যাখ্যা চেয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

গত ২১ মার্চ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে রিজেন্ট হাসপাতালের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কীভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চুক্তি করল- এ প্রশ্নে অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমুহ) ডা. আমিনুল হাসান গতকাল বুধবার জানান, ‘বাধ্য হয়ে’ তা করেছিলেন তারা।

গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটার পর শুরুতে ছোঁয়াচে এই রোগে আক্রান্তদের আলাদা রেখে চিকিৎসা দিতে হাসপাতাল খুঁজে পাওয়াটা কঠিন ছিল বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব উম্মে হাবিবা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, হাসপাতালটিতে চালানো র‌্যাবের অভিযান ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পর ‘দেশ ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে’।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব উম্মে হাবিবা স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে এ অবস্থায় রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমঝোতা চুক্তি বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সমঝোতা চুক্তির শর্ত ভেঙে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ ও ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুত মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।

advertisement