advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইসির উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৯ জুলাই ২০২০ ২২:৩২
advertisement

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতেই রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইনে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ গতকাল এক ভার্চুয়াল আলোচনায় বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশনের উদ্যোগে ‘রাজনৈতিক

দলসমূহের নিবন্ধন আইন : করোনা ভাইরাস বিপর্যয়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের আবারও সংবিধানবিরোধী পদক্ষেপ’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল আলোচনাসভা হয়। আলোচকরা নিজ নিজ বাসা থেকে এই আলোচনায় যুক্ত হন। বিএনপিদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য জহিরউদ্দিন স্বপনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইনের সংশোধনের উদ্দেশ্য একটাইÑ সেটা হচ্ছে আওয়ামী লীগকে বারবার ক্ষমতায় নিয়ে আসা, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখা। নির্বাচন কমিশন তারা তাদের দায়িত্ব পালন করছে, তারা তাদের প্রভুদের ক্ষমতায় রাখার জন্য সমস্ত আইন তৈরি করছে। আসুন আমাদের দায়িত্ব আমরা পালন করি। জনগণের কাছে আমাদের যে কমিটমেন্ট আছে, তা নিয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। এই সরকারকে চলে যেতে বাধ্য করি।’

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা এবং তাদের ক্ষমতায় রাখার প্রক্রিয়াটি ২০০৭ সালের এক-এগারোর সেনা সমর্থিত সরকার থেকে শুরু হয় উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ‘এই প্রক্রিয়াটা শুরু হয়েছে এক-এগারো থেকে। বিরাজনীতিকরণের একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে, রাজনৈতিক দলগুলোকে একেবারে অকার্যকর করে। এখনো পরিকল্পিতভাবে সেই কাজ চলছে। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে একইভাবে নির্বাচন কমিশনগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। সেই দায়িত্বটা ছিল আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা।’ সংবিধান থেকে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা বাতিল করার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ভেঙে দিয়ে ক্ষমতাসীন দলকে ক্ষমতায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।

রিজেন্ট হাসপাতালের দুর্নীতির উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একটা হাসপাতাল কী করে একটা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিতে পারে। কালকে (গত বুধবার) আমি দেখলাম টেলিভিশনের খবরেÑ আমাদের সমস্ত মন্ত্রীরা রিজেন্ট হাসপাতালের কর্ণধার মো. সাহেদের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত, অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে তাদের সঙ্গে কথা বলছেন, কাজ করছেন। অর্থাৎ পুরোপুরি সরকারের মদদ নিয়ে এই অপকর্মটা তারা করেছে। করোনা ভাইরাসের মধ্যে এই সরকারের যে ভূমিকা, তাদের যে পারফরমেন্স, এটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। আমরা সবাই দেখছি, ভোগ করছি প্রতিমুহূর্তে।’

advertisement