advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
কুয়েতের নাগরিক নন পাপুল

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
১০ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৯ জুলাই ২০২০ ২২:৩২
advertisement

মানবপাচার ও অর্থপাচার মামলায় আটক এমপি শহিদ ইসলাম পাপুল কুয়েতের নাগরিক নন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তিনি এলিয়েন্স রেসিডেন্ট ল বা বিদেশিদের জন্য আবাসিক আইনের আওতায় সেখানে অবস্থান করেন। কুয়তের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, পাপুল কুয়েতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা অসত্য। উল্লেখ্য, মানবপাচারসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগে কুয়েতে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়েছে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি শহিদ ইসলাম পাপুলকে। এ নিয়ে কুয়েত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় চলছে। ঘটনার দিকে দৃষ্টি রেখেছে আন্তর্জাতিক মহলও। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেছেন, পাপুল কুয়েতের নাগরিকত্ব পেলে তার আসন শূন্য ঘোষণা করা হবে। বুধবার তিনি আরও বলেন, পাপুল কুয়েতের নাগরিক কিনাÑ এ বিষয়ে আমরা কুয়েত সরকারের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা এ বিষয়টি দেখছি। যদি তিনি কুয়েতের নাগরিক হন, তা হলে তার আসন শূন্য ঘোষণা করব আমরা। কারণ আইনকে তার নিজের পথে চলতে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর

এমন বক্তব্যের একদিন পরই বৃহস্পতিবার কুয়েত সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছেÑ পাপুল কুয়েতের নাগরিক নন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব রিলেশন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি মিডিয়া থেকে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে যে, অভিযুক্ত বাংলাদেশি কুয়েতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। তিনি এলিয়েন্স রেসিডেন্ট ল-এর অধীনে কুয়েতে বসবাসের জন্য এমন প্রচার পাচ্ছেন। এতে বলা হয়, (শহিদ ইসলাম পাপুল) কুয়েতে নাগরিকত্ব পেয়েছেন বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে তা অসত্য। এক্ষেত্রে সব মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অনুরোধ করা হয়েছে যথাযথ সংবাদ পরিবেশনের। নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট যে কোনো অনুসন্ধানের জন্য প্রশাসনের দরজা সব সময় খোলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এই এমপি মারাফি কুয়েতিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। মানবপাচার, অর্থপাচার ও ঘুষ দেওয়া-নেয়ার অভিযোগে গত ৬ জুন কুয়েতের সিআইডি তাকে গ্রেপ্তার করে। কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এ সময় তিনি কুয়েতের কর্মকর্তাদের লাখ লাখ ডলার ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি বিদেশিদের কুয়েতে নিয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই বাংলাদেশি।

advertisement