advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিএসআরএম কারখানা থেকে তাজা গ্রেনেড উদ্ধার

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১০ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৯ জুলাই ২০২০ ২২:৪৩
advertisement

বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম) লিমিটেড চট্টগ্রামের কারখানা থেকে একটি তাজা গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। সিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা সেটি উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করেছেন। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত বুধবার বিকালে মিরসরাই উপজেলার মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকায় বিএসআরএম স্টিল মিলস লিমিটেডের কারখানায় গ্রেনেডটি পাওয়া গেছে। এ সময় কারখানায় সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে রাতে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করে।

জানা গেছে, গত ২১ জুন থেকে ১ জুলাইয়ের মধ্যে জাপান থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আসা ১০ হাজার টন স্টিল স্ক্র্যাপ বিএসআরএম কারখানায় ঢোকে। এ স্ক্র্যাপের ভেতরে গ্রেনেডটি ছিল বলে

কর্তৃপক্ষের ধারণা। তবে পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি। ফলে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে তারা।

জোরারগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, বুধবার বিকাল ৩টার দিকে কারখানা থেকে থানায় একটি বোমা পাওয়ার খবর জানানো হয়। তিনি গিয়ে লোহার রড তৈরির কাঁচামালের মধ্যে একটি গ্রেনেড সদৃশ বস্তু বিপজ্জনকভাবে পড়ে থাকতে দেখেন। তখন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেন।

সিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পলাশ কান্তি নাথ জানান, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের ইনচার্জ রাজেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি টিম গিয়ে একটি তাজা গ্রেনেড উদ্ধার করে। পরে কারখানার দক্ষিণে খোলা মাঠে সেটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এ রকম আর কোনো গ্রেনেড কারখানার ভেতরে ছিল কিনা তা তল্লাশি করা হয়েছে। তবে কিছুই পাওয়া যায়নি।

বিএসআরএম কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপক ওমর সোয়েব আমাদের সময়কে বলেন, এখন থেকে আমরা স্ক্যানিংয়ের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হব। কারণ এটি কারখানার জন্য কোনো স্বাভাবিক বিষয় না। তাজা গ্রেনেড বিস্ফোরিত হলে বড় ধরনের ক্ষতি হতো। আমরা অনেক বড়ো বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছি। গ্রেনেডটি কীভাবে কারখানায় গেছে সাপ্লাই চেইনের নথি যাচাই করে কোনো ক্লু বের করা যায় কিনা সেই চেষ্টা চলছে।

advertisement
Evaly
advertisement