advertisement
advertisement

রোদ-বৃষ্টিতে সীমাহীন কষ্টে ক্ষতিগ্রস্তরা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১০ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুলাই ২০২০ ০৮:৪৮
পুরোনো ছবি
advertisement

রাজবাড়ীতে পদ্মা ও গড়াই নদীর পানি কমতে শুরু করলেও এখনো অব্যাহত রয়েছে নদী ভাঙন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকরি পদক্ষেপ না থাকায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে মানুষের বসতবাড়ি, ফসলি জমিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বসতভিটা হারিয়ে বিভিন্ন সড়ক ও উঁচু জায়গায় খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অনেকে। এরপরও এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তরা কোনো ত্রাণ বা সরকারি সহায়তা পায়নি।

পদ্মার ভাঙনে পাংশা, কালুখালী, রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে গড়াই নদীর ভাঙনে বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ও নাড়ুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান জানান, তার ইউনিয়নের শাহদাত মেম্বারের পাড়া, সত্তার শেখের পাড়া, মজিদ শেখের পাড়া, ফেলু মোল্লার পাড়া, ছিদ্দিক কাজীর পাড়া, লালু ম-ল পাড়া, ১ নং বেপারী পাড়া, নতুন পাড়া, ইদ্রীস শেখের পাড়া, নাসিরুদ্দিন সরদার পাড়া গ্রাম বন্যা ও পদ্মার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদী ভাঙনের ফলে খোলা আকাশের নিচে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এভাবে গত কয়েক বছরের ভাঙনে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম বিলীন হয়ে গেছে।

চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান বলেন, চলতি বছর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্তরা কোনো ত্রাণ বা সরকারি সহায়তা পায়নি। তিস্তার পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে

এ দিকে নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, জেলার ডিমলায় তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় তিস্তার পানি নেমে ৫২ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়, যা বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারীর ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, গতকাল বিকাল ৩টায় ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজের পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

advertisement