advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সব খবর

advertisement

ঈদের পর পরই প্রিমিয়ার লিগ!

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১০ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৯ জুলাই ২০২০ ২৩:০৫
advertisement

করোনা ভাইরাসের মধ্যেই মাঠে ফিরেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররা খেলায় ফেরার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু কবে মাঠে ফিরবেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা, তা এখনো নিশ্চিত করে কেউই বলতে পারছেন না। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অনেক সিরিজ স্থগিত হয়ে গেছে। তাই ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট দিয়েই মাঠে ফেরার সম্ভাবনা প্রবল তামিম, মুশফিকদের। কেননা মৌসুম শেষ হয়ে গেলেও এখনো ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ বাতিল কিংবা স্থগিতের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলি (সিসিডিএম)। এ লিগ হচ্ছে ক্রিকেটারদের আয়ের বড় উৎস। আগে থেকেই সিসিডিএম বলছে, সীমিত পরিসরে হলেও এ টুর্নামেন্ট সমাপ্ত করতে চায় তারা। লিগের ব্যাপারে ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশও (কোয়াব) কয়েক দফায় সভা করেছে। সর্বশেষ তাদের সভায় উপস্থিত ছিলেন বিসিবির পরিচালক ও সিসিডিএমের চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ ও বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী। এ সভা শেষে এক বিজ্ঞপ্তিতে ইনাম আহমেদ জানান, ক্রিকেট ফেরাতে কক্সবাজার ও বিকেএসপির কথা ভাবছেন তারা। তবে কবে প্রিমিয়ার লিগের খেলা মাঠে গড়াতে পারে দিন-তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। প্রিমিয়ার লিগের বিকল্প ভেন্যু হিসেবে কক্সবাজার অথবা বিকেএসপিকে পরিকল্পনায় রাখা হচ্ছে। কেননা সেখানে আইসোলেশনে সব খেলোয়াড় ও ক্লাব কর্মকর্তার থাকার সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ইনাম আহমেদ আরও জানান, সিসিডিএম ক্লাবগুলোকে ক্রিকেটারদের টাকা পরিশোধের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য আহ্বান করেছেন। এ ছাড়া খেলোয়াড়দের সঙ্গে যেন অনলাইনে সব সময় যোগাযোগ রাখে ক্লাবগুলো, যাতে ১৫ দিনের নোটিশে খেলা শুরু করা যায়। তিনি আশা করছেন, প্রিমিয়ার লিগ দিয়ে দেশে ক্রিকেট ফিরবে। আসছে ঈদের পরপরই প্রিমিয়ার লিগ আয়োজন করার পরিকল্পনায় রয়েছে সিসিডিএম। তবে এ ক্ষেত্রে বোর্ড ও সরকারের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে তারা। এরই মধ্যে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশের ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে সভায় বসছে। মাঠে খেলা ফেরানোর ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কবে নাগাদ প্রিমিয়ার লিগ শুরু হতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে আমাদের সময়কে সিসিডিএমের সদস্য সচিব আলী হোসেন বলেন, ‘আমাদের কোনো কিছুই এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এখন আসলে যে পরিস্থিতি সেটা ভালো হলেই আরকি। আমাদের একটা ধারণা যে ঈদের পর পরই যেন আমরা শুরু করতে পারি। আমাদের চেয়ারম্যানও বলেছেন যে আমরা বললে যেন ১৫ দিনের মধ্যে মাঠে নামতে পারে ক্লাবগুলো। এখনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। আমরা আলাপ-আলোচনা করছি। এ পর্যন্ত আমরা আলোচনা করেছি যে ক্লাবগুলোর সঙ্গে যেন তারা তাদের খেলোয়াড়দের প্রস্তুত রাখতে পারে। যে কোনো সময় পরিস্থিতি উন্নতির হলে অথবা সরকার অনুমতি পেলে আমরা শুরু করতে পারি। ক্রীড়মন্ত্রীও ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বসছে।’

খেলোয়াড়ের আর্থিক বিষয়টি বিবেচনা করেই এখন পর্যন্ত লিগ বাতিল কিংবা স্থগিতের ঘোষণা দেয়নি সিসিডিএম। আলী হোসেন বলেন, ‘আমাদের কিন্তু মৌসুম শেষ হয়ে গেছে। আমরা লিগ বাতিল ঘোষণা করিনি। অনেক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট বাতিল হয়ে গেছে। আমরা কিংবা ক্রিকেট বোর্ড এখনো এমনটা মনে করিনি। আমরা চিন্তা করছি যে লিগ হলে খেলোয়াড়রা কিছুটা হলেও আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠবে অর্থাৎ লাভবান হবে। আমরা মনে করছিলাম যে পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এখনো পরিস্থিতি ওই রকমই দেখছি। তার পরও খেলাধুলা যেহেতু সব জায়গায় ফিরছে মাঠে, আমাদেরও একটা বিকল্প চিন্তাভাবনা আছে। যে কোনো এক জায়গা নিয়ে হয়তো আমরা লিগ করতে পারি। বিকেএসপি কিংবা কক্সবাজারে। বিকেএসপিতে থাকার জায়গা আছে। এখানে আমরা খেলা চালাতে পারি প্রিমিয়ার লিগের সবগুলো ম্যাচ।’ মাঠে খেলা ফেরানোর ব্যাপারে বিসিবি ও সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সিসিডিএম। এদিকে বিসিবিও ক্রিকেটারদের অনুশীলনে ফেরানোর সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষ দিকে মাঠের অনুশীলনে ফিরতে পারেন ক্রিকেটাররা।

advertisement
Evaly
advertisement