advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব আয়ে ঘাটতি ১১ কোটি টাকা

বেনাপোল প্রতিনিধি
১০ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৯ জুলাই ২০২০ ২৩:১৬
advertisement

বেনাপোল স্থলবন্দরে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে আমদানি পণ্য সংরক্ষণে পণ্যগার ভাড়া বাবদ ৯৫ কোটি ৮ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ঘাটতি হয়েছে ১১ কোটি ৬ লাখ। এ সময় ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ১৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৮ মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের পণ্য। এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছর ভারত থেকে আমদানির পরিমাণ ছিল ১৮ লাখ ৩৬ হাজার ৯৫৩ টন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি আমাদের সময়কে নিশ্চিত করেন। বন্দর সূত্রে জানা যায়, ভারত থেকে যে পণ্য আমদানি হয় প্রাথমিক অবস্থায় পণ্যচালানটি বেনাপোল বন্দরের ওয়ারহাউসে (পণ্যগারে) রাখা হয়। এ সময় আমদানি পণ্য রক্ষাণাবেক্ষণ ও পণ্যগার ভাড়া বাবদ বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে রাজস্ব আদায় করে থাকে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, বেনাপোল বন্দরের বর্তমান ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন। তবে এখানে সব সময় পণ্য থাকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন। চাহিদা অনুপাতে জায়গা না থাকায় মূল্যবান আমদানি সামগ্রী রাখতে হয় খোলা আকাশের নিচে। এতে সুবিধাবঞ্চিত হয়ে ব্যবসায়ীরা অনেকে এ বন্দর ছেড়ে বাণিজ্য করছেন অন্য বন্দর দিয়ে। ফলে এ বন্দরটিতে কাক্সিক্ষত রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হচ্ছে না।

বেনাপোল আমদানি, রপ্তানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, এ পথে রাজস্ব আয় বাড়াতে হলে বন্দরের

অবকাঠামো উন্নয়ন বাড়াতে হবে। এ ছাড়া বন্দরে বারবার রহস্যজনক অগ্নিকা-ে অনেক ব্যবসায়ী পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছেন। বন্দর তাদের কোনো ক্ষতিপূরণ না দেওয়ায় তারা এ বন্দর ছেড়েছেন।

বেনাপোল ট্যান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দীন গাজী বলেন, পণ্য ছাড়করণের ক্ষেত্রে বৈধ সুযোগসুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায় আমদানি কমে যাওয়ার একটি কারণ। এতে রাজস্ব দিন দিন ঘাটতি হচ্ছে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার বলেন, করোনার কারণে প্রথমত আড়াই মাস ধরে আমদানি বন্ধ ছিল। এ কারণে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। আর ইতোমধ্যে বেনাপোল বন্দরে অনেক অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। এ ছাড়া আরো যে উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে এর মধ্যে বন্দরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, জেলখানার মতো বন্দরের চারিদিকে প্রাচীর নির্মাণ ও নতুন জায়গা অধিগ্রহণ। এসব উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হলে বেনাপোল বিশ্বের কাছে একটি আধুনিক বন্দর হিসেবে পরিচিতি পাবে, তখন আমদানি বৃদ্ধির পাশাপাশি দ্বিগুন রাজস্ব রাড়বে।

advertisement