advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দর্শকের মনের মাঝেই আছেন রিয়াজ

বিনোদন সময় প্রতিবেদক
১০ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৯ জুলাই ২০২০ ২৩:৩২
advertisement

১৯৯৫ সালে দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘বাংলার নায়ক’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ঢালিউডের রূপালী পর্দায় অভিষেক হয় রিয়াজের। দেখতে দেখতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত জনপ্রিয় এ নায়ক তার অভিনয় জীবনের ২৫ বছর অর্থাৎ রজতজয়ন্তী পার করলেন। বিমান বাহিনীর চাকরি ছেড়ে রিয়াজ নিজেকে চলচ্চিত্রের নায়ক হিসেবেই ধীরে ধীরে ব্যস্ত করে তোলেন। ‘বাংলার নায়ক’-এর পর ‘প্রিয়জন’, ‘অজান্তে’, ‘বাঁচার লড়াই’, ‘পৃথিবী আমারে চায় না’ প্রমুখ ছবিতে অভিনয় করেন। ১৯৯৭ সালে এটলাস মুভিজ প্রযোজিত ও মুখলেছুর রহমান পরিচালিত ‘হৃদয়ের আয়না’য় প্রথম একক নায়ক হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। প্রথম একক নায়ক হিসেবেই আলোড়ন সৃষ্টি করেন তিনি। এর পর উপহার দেন আরেক জনপ্রিয় ছবি মতিন রহমানের পরিচালনায় ‘মন মানে না’। এ ছবিতে সালমান শাহর অভিনয়ের কথা থাকলেও অকালপ্রয়াণের কারণে শাবনূরের সঙ্গে প্রথম নায়ক হিসেবে জুটি বাঁধেন রিয়াজ। শাবনূরের সঙ্গে রিয়াজকে দর্শক লুফে নেয়। পরবর্তী সময়ে তারা জুটি বেধে আরও বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হন।

জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবিতে রিয়াজের বিপরীতে প্রথম নায়িকা হিসেবে অভিষেক হয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার। এর পর এ জুটি একে একে উপহার দেন ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘লাল দরিয়া’, ‘মায়ের সম্মান’, ‘খবরদার’, ‘জামাই শ্বশুর’সহ আরও অনেক ছবি। রিয়াজ ও পূর্ণিমা জুটির ঝড় তোলা ছবির মধ্যে রয়েছে ‘মনের মাঝে তুমি’ ও ‘হৃদয়ের কথা’।

পরবর্তী সময়ে হুমায়ূন আহমেদের ‘দুই দুয়ারী’ ছবিতে অভিনয় করে প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। এ ছাড়া তৌকীর আহমেদের ‘দারুচিনি দ্বীপ’ ও চন্দন চৌধুরীর ‘কী যাদু করিলা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্যও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এ নায়ক।

অভিনয় জীবনের রজতজয়ন্তী পার হওয়া প্রসঙ্গে রিয়াজ বলেন, ‘এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, চলচ্চিত্রে অভিনয়ে আমার সর্বোচ্চ প্রাপ্তি কোটি কোটি দর্শকের ভালোবাসা। আর যে দুজন প্রিয় মানুষের কাছে আমি সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ, তারা হলেনÑ ববিতা আপা এবং প্রয়াত চিত্রনায়ক জসিম ভাই। কারণ ববিতা আপা আমাকে হাত ধরে এখানে নিয়ে এসেছেন আর জসিম ভাই আমাকে প্রথম কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। আরও কৃতজ্ঞতা জানাই পরিচালক দীলিপ বিশ^াস, মতিন রহমান, মহম্মদ হান্নান, কোহিনূর আক্তার সূচন্দা, মতিউর রহমান পানু, এস এ হক অলিকের প্রতি। তারা আমার চলার পথকে সমৃদ্ধ করেছেন। এ ছাড়া কৃতজ্ঞ আমার প্রত্যেক ছবির সহশিল্পী, প্রযোজক, মেকআপ আর্টিস্ট, সিনেমাটোগ্রাফার, কাহিনিকারসহ আরও যারা আছেন।’

ফেলে আসা অতীত নিয়ে অনুশোচনা নেই রিয়াজের। আজও দর্শকের মনের মাঝেই আছেন তিনি। বর্তমান সময়টাকে উপভোগ করার চেষ্টা করেন। রিয়াজ ২০০৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনাকে বিয়ে করেন। ২০১৫ সালের ৩০ মে এই দম্পতির ঘর আলোকিত করে জন্ম নেন আমিরা সিদ্দিকী। বর্তমানে রিয়াজ তার নিজস্ব বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘পিংক ক্রিয়েটিভ লিমিটেড’ নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাশাপাশি বিশেষ দিবসে ছোটপর্দার নাটক-টেলিছবিতে অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে।

advertisement