advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দুই মামলার আসামি সাইদুল গ্রেপ্তার রিমান্ডের আবেদন

বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
১০ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুলাই ২০২০ ০০:০৪
advertisement

বড়লেখায় পলিথিন আটকের জের ধরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ করাসহ প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় দায়ের করা দুটি মামলার প্রধান আসামি সাইদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। আদালাত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় সাইদুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই মামলায় ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফ উদ্দিন।

বুধবার (৮) জুলাই রাত সাড়ে নয়টার দিকে পুলিশ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে সাইদুলকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে হুন্ডি, মাদক ব্যবসাসহ নানা ধরনের অপরাধ কর্মকা-ে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সাইদুল বড়লেখা পৌরসভার আইলাপুর গ্রামের মৃত আবদুল খালিকের পুত্র এবং বড়লেখা সদরের শাহজালাল শপিং সিটির মালিক।

থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পলিথিন আটকের জের ধরে গত ২ জুলাই সকালে বড়লেখা পৌরশহরের উত্তর বাজার এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত শামীম আহমদ ১৮ জনের নামোল্লেখ করে ও জসিম উদ্দিন ১৫ জনের নামোল্লেখ করে থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। দুটি মামলায় সাইদুল ইসলামকে প্রধান আসামি এবং তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ৩ রাউন্ড গুলিবর্ষণের অভিযোগ করা হয়। মামলার পরই পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে সাইদুল পলাতক ছিলেন।

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক জানান, সাইদুলকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুটি মামলায় ৩ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তবে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি।

গত ১ জুলাই স্থানীয় প্রশাসন পৌর শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে মজুদ করা প্রায় ৭০ মণ নিষিদ্ধ পলিথিন উদ্ধার করে। এর মধে সাইদুল ইসলামের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান রেলওয়ে স্টেশন রোডের শাহজালাল শপিং সিটি থেকেও পলিথিন উদ্ধার করে প্রশাসন। এ ঘটনার পর থেকে আসামিরা শামীম আহমদকে (মামলার বাদী) সন্দেহ করছিলেন। তাদের ধারণা শামীম আহমদ পুলিশকে তথ্য দিয়ে পলিথিনগুলো ধরিয়ে দিয়েছেন। এ আক্রোশে গত ২ জুলাই সকালে শহরের উত্তর বাজার এলাকায় শামীম আহমদকে কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে যাওয়া হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে থাকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। শামীম আহমদের ওপর হামলার খবর পেয়ে তার ভাই পৌর যুবলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিনসহ স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে বেলা ১টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে জসিম উদ্দিনসহ প্রায় ১২ জন আহত হন। জসিম উদ্দিনসহ কয়েকজন ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, সংঘর্ষের সময় সাইদুল তার আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে পর পর তিন রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে থানা পুলিশ এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

advertisement
Evaly
advertisement