advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

খাগড়াছড়ির পুলিশ জনকল্যাণমুখী

রফিকুল ইসলাম খাগড়াছড়ি
১০ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুলাই ২০২০ ০০:০৪
advertisement

মহামারী করোনা সংকটকালে খাগড়াছড়ি জেলার মানুষের পাশে থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিয়ে আসছে জেলা পুলিশ সদস্যরা। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে তারা তাদের রেশন থেকে অর্থ বাঁচিয়ে ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত, করোনায় আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো, করোনায় মৃতদের দাফন ও শেষকৃত্য করতে একটি প্রশিক্ষিত টিম প্রস্তুত করাসহ নানা জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সংকটময় মহূর্তের শুরু থেকেই জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল আজিজের সরাসরি তত্ত্বাবধানে জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। ২৯ জুন পর্যন্ত জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬ পুলিশ সদস্য। সুস্থ হয়েছে ২০ জন। আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের ইকু ছড়ি হোটেল ও যুব উন্নয়নের একটি ভবনে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে ফেসমাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান, পিপিইসহ বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ওষুধ সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। আক্রান্ত পুরুষ ও নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য আলাদা কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। এ ছাড়া করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় জেলার প্রতিটি থানা থেকে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করে ব্যাপকভাবে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালিয়ে মানুষকে ঘরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

এ ছাড়াও বিদেশ ফেরত বা দেশের অন্য জেলা থেকে আগতদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে সক্রিয় খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ। প্রতিটি থানা এলাকায় আক্রান্তদের বাড়ি লাল পতাকা টানিয়ে লকডাউন করা এবং তাদের সার্বিক সহাযোগিতা করা হচ্ছে।

জেলার রামগড় ও মানিকছড়িতে পুলিশ চেকপোস্ট স্থাপন করে বাইরের জেলা থেকে খাগড়াছড়িতে প্রবেশ বা বাহির নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার আব্দুল আজিজ বলেন, দেশে মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর হতে সাধারণ মানুষ যারা জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হচ্ছেন, তাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে সচেতন করাসহ খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, করোনার এ সময়ে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্কের এক মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে বলে আমি মনে করি। মহামারীর এ সময়ে দেশব্যাপী পুলিশের কার্যক্রমে সুনাম তৈরি হয়েছে। সেই সুনামকে ধরে রাখতে চাই।

advertisement