advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাবেক মন্ত্রী সাহারা খাতুন আর নেই

১০ জুলাই ২০২০ ০২:৫৬
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২০ ০২:৫৬
advertisement

আওয়ামী লীগ সভাপতিম-লীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন আর নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ২৬ মিনিটে (স্থানীয় সময়) ব্যাংককের বামুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালি লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহী রাজিঊন)। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আশরাফ সিদ্দিকী বিটু সাহারা খাতুনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। ব্যক্তিগত জীবনে অকৃতদার এই রাজনীতিক অসংখ্য স্বজন ও ভক্ত-অনুসারী রেখে গেছেন।
প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে সাহারা খাতুন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আজীবন কাজ করে গেছেন এবং দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে আইনিসহ সক সাহায্য-সহযোগিতা দিয়েছেন। তার মৃত্যুতে দেশ ও জাতি একজন দক্ষ নারী নেত্রী এবং সৎ জননেতাকে হারাল। প্রধানমন্ত্রী মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি
গভীর সমবেদনা জানান। এছাড়াও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পানি সম্পাদক উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীমসহ বিভিন্ন রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেন।
এর আগে গত সোমবার মুমূর্ষু অবস্থায় সাহারা খাতুনকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককের বামুনগ্রাড হাসপাতালে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জ্বর এলার্জি ও বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। শরীরের অবস্থার অবণতি হওয়ায় গত ৬ জুন রাজধানীর ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সাহারা খাতুকে। বেশ কয়েকদিন তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা দিতে পরামর্শ দেন ঢাকার চিকিৎসকরা।
সাহারা খাতুনের জন্ম ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ ঢাকার কুর্মিটোলায়। তার পিতা আব্দুল আজিজ ও মাতা টুরজান নেসা। তিনি বিএ এবং এলএলবি ডিগ্রি আর্জন করেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আন্তর্জাতিক মহিলা জোটের সদস্য। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মহিলা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন।

advertisement