advertisement
advertisement

আশকোনা হজক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে ইতালি ফেরতরা

অনলাইন ডেস্ক
১০ জুলাই ২০২০ ১৫:৫৫ | আপডেট: ১০ জুলাই ২০২০ ১৬:১০
পুরোনো ছবি
advertisement

ইতালি থেকে ফেরত পাঠানো কাতার এয়ারওয়েজের বিমানটি আজ শুক্রবার ভোররাতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। পরে বিমানের ১৪৭ জন যাত্রীকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের উদ্দেশ্যে আশকোনা হজক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক তৌহিদ উল আহসান বিবিসিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার ভোররাতে আসা বিমানটির যাত্রীদের নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।’

এদিকে আশকোনা কোয়ারেন্টিন সেন্টারের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রাথমিক স্ক্যানিং শেষে ফেরত আসা কোনো যাত্রীর মধ্যে করোনাভাইরাসের কোনো উপসর্গ পাওয়া যায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পে যাওয়ার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ক্যাম্পে থাকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ঠিক করা হবে যে ফেরত আসা যাত্রীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হবে কি না।’

কোনো ধরনের পরীক্ষা হয়নি

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে হজ ক্যাম্পে থাকা একজন বিবিসিকে জানান, ফেরত আসার পর তাদের কোনো ধরনের পরীক্ষা করা হয়নি। এদিকে কখন পরীক্ষা করা হবে সেসম্পর্কেও কিছু জানানো হয়নি তাদের।

গত ৭ জুলাই বাংলাদেশ থেকে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক করোনাভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তি পাওয়ায় বাংলাদেশ থেকে সব ফ্লাইট এক সপ্তাহের জন্য নিষিদ্ধ করে ইতালি। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বাংলাদেশিদের নিয়ে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট রোমে যাওয়ার পর বিমানটিকে ফেরত পাঠায় ইতালি কর্তৃপক্ষ। পরে এই বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত আনার পর প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আয়েশা আক্তার বিবিসিকে বলেন, ‘উপসর্গ না থাকলে ফেরত আসা ব্যক্তিরা বাড়িতে থাকতে পারবে। কিন্তু তাদের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করা হবে এবং তাদের সাথে যোগাযোগ রাখা হবে।’

এর আগে মার্চে ইতালি থেকে ঢাকায় আসা প্রবাসী বাংলাদেশিদের হজক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হলেও পরে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে যার যার বাসায় পাঠানো হয়। সেসময় ক্যাম্পের পরিবেশ নোংরা এবং থাকার অনুপযোগী- এমন অভিযোগ তুলে সেখানে থাকতে অস্বীকৃতি জানান ইতালি ফেরতরা।

advertisement