advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঢাকাসহ তিন জেলায় পশুর হাট না বসানোর পরামর্শ

হাটে আগমনকারী সব ব্যক্তির মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক ॥ প্রবীণদের বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা করার জন্য আহ্বান ॥ কারিগরি পরামর্শক কমিটির একগুচ্ছ প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০২০ ০৮:১৪
advertisement

আসন্ন কোরবানির ঈদে রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে পশুর হাট না বসাতে পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি জাতীয় পরামর্শ কমিটি ১৪তম অনলাইন সভায় এ প্রস্তাবনা গ্রহণ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জাতীয় পরামর্শক কমিটি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। কমিটি মনে করে, ভাইরাসের সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ অবস্থায় ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় অবাধ জীবনযাত্রায় উদ্বেগজনক। এ ছাড়া পরামর্শক কমিটি ঢাকা ও তার আশপাশ এলাকায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের পরামর্শ দিয়েছে।
ঈদে পশুর হাট বসানোর ক্ষেত্রে জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটির সুপারিশ করেছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে যেন পশুর হাট স্থাপন না করা হয়। এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পশু কেনাবেচার ব্যবস্থা করা যেতে পারে বলেও মত দেওয়া হয়। এ ছাড়া অন্য জায়গায় সংক্রমণ প্রতিরোধ নীতিমালা পালনসাপেক্ষে কোরবানি পশুর হাট বসানো যেতে পারে।

এদিকে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বিস্তার প্রতিরোধে ঈদের ছুটির সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রাম থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত নন এমন প্রসূতি মায়েদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ইউনিট গঠন বিষয়ে আলোচনা হয় ও অতিসত্বর ওই ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রবীণদের বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
কোভিড ১৯-এর ভ্যাকসিন দেশে প্রস্তুতের বিষয়টিকে জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটি স্বাগত জানায়। তবে ভ্যাকসিন প্রস্তুতের ক্ষেত্রে কমিটির পরামর্শ থাকবে, ভ্যাকসিন প্রস্তুত অথবা আবিষ্কার অবশ্যই সরকার, বিএমআরসি ও ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদনক্রমে এবং ভ্যাকসিন প্রস্তুতিতে আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণ করে করতে হবে।
কোরবানি পশুর হাট স্থাপন ও পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে নিচের নিয়ম অনুসরণ প্রয়োজন বলে মনে করে কারিগরি কমিটি :
শহরের অভ্যন্তরে স্থাপন না করে পশুর হাট খোলা ময়দানে হতে হবে, যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
বয়স্ক ব্যক্তি (৫০ বয়সোর্ধ্ব) এবং অসুস্থ ব্যক্তি পশুর হাটে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
পশুর হাটে প্রবেশ ও বের হওয়ার পৃথক রাস্তা থাকতে হবে। পশুর হাটে আগমনকারী সব ব্যক্তির মাস্ক পরিধান করা বাধ্যতামূলক। কোরবানি পশু জবাই বাড়িতে না করে শহরের বাইরে সিটি করপোরেশনের দ্বারা নির্ধারিত স্থানে করতে হবে এবং অনলাইনে অর্ডারের মাধ্যমে বাড়ির বাইরে দেওয়া সম্ভব হলে, তা করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।

advertisement
Evaly
advertisement