advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গুরুদাসপুরে শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যা

নাটোর প্রতিনিধি
১১ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুলাই ২০২০ ২৩:৩১
advertisement

গুরুদাসপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ৫ বছরের শিশুকন্যা ফাতেমাকে পানিতে ফেলে হত্যা করেছে ১৩ বছরের কিশোরী সোনালী খাতুন। শুক্রবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিমের আদালতে এ ব্যাপারে জবানবন্দি ও হত্যাকা-ের বর্ণনা দিয়েছে সে। বিচারক সোনালীকে রাজশাহীর সেফ কাস্টোডিতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা চরপাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার ভাতিজা দেরেশ উদ্দিনের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে দেরেশ উদ্দিনের মেয়ে সোনালী গত ২৯ জুন বিকালে শহিদুল ইসলামের মেয়ে ফাতেমাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এর পর ওই দিন সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে পকুরে ফাতেমার লাশ পাওয়া যায়।

এই ঘটনায় ৯ জুন ফাতেমার মা মিনারা খাতুন গুরুদাসপুর থানায় হত্যার অভিযোগ এনে সোনালী খাতুন এবং তার দুই ভাই জয়নাল হোসেন ও ইসমাইল হোসেনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুলিশ বৃহস্পতিবার বিকালে সোনালীকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার

করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আবু সাদাদ জানান, শুক্রবার বিকালে পুলিশ সোনালীকে আদালতে সোপর্দ করে। এ সময় সে বিচারককে জানায়, ফাতেমাকে পানিতে ফেলে হত্যা করেছে সে। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।

আবু সাদাদ আরও বলেন, সোনালীকে নাটোর কারাগারের মাধ্যমে রাজশাহীর সেফ কাস্টোডিতে পাঠানো হবে।

advertisement