advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ
করোনাকাল : কতিপয় ভাবনা

১১ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২০ ০০:১৮
advertisement

‘কোভিড-১৯’ ভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার উপায় নিয়ে এবং জীবন ও জীবিকাকে অব্যাহত রাখতে সরকার নতুন নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। তবে করোনা ভাইরাস বাংলাদেশের মানুষের মনে যতটা ভীতি সঞ্চারিত করেছে, ততটা সচেতন করে তুলতে পারেনি। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই যথেষ্ট বলে মনে করি। কেননা জীবন ও জীবিকার তাগিদে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঘর থেকে বের হয়ে কর্মচঞ্চল স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হয়েছে। মানবজাতিকে আরও অনেকটা সময় করোনাকে সঙ্গে নিয়ে, করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করেই বেঁচে থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানা ও সচেতনতার বিকল্প নেই। চিকিৎসা নয়, আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতাই আপনাকে বাঁচাতে পারে।

করোনা দুর্যোগে আমাদের দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার যে দুর্বল জায়গাগুলো প্রকাশ পেয়েছে, সেই সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অবশ্যই সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। চিকিৎসাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে, বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্প-কারখানা আংশিক বন্ধ হয়ে যাবে। মানুষ চাকরি ও পেশা হারিয়ে বেকার হয়ে পড়বে, বিদেশে কর্মরত রেমিট্যান্সযোদ্ধারাও চাকরি ও কাজ হারিয়ে ফিরে আসতে পারেন। শ্রমশক্তি ও মেধার অপচয় রোধ করে মানবসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মধ্য দিয়ে করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এই বিপুলসংখ্যক কর্মহীন মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে অবশ্যই বাজেটে সুষ্ঠু পরিকল্পনা থাকা উচিত। কোনো শিল্প-কারখানা যাতে বন্ধ হয়ে না যায় এবং কৃষি উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে বাজেটে বিশেষ পরিকল্পনা থাকা উচিত। মানুষের জীবন-জীবিকার নতুন উপায় ও ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে। অর্থনীতি, কৃষি ও উৎপাদনমুখী শিল্প নিয়ে বহু বছরের গতানুগতিক ভাবনা-পরিকল্পনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নতুনভাবে দেশের পুরো অর্থব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে, নতুন উদ্ভাবনী পরিকল্পনা করতে হবে।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এই বিশ্বমন্দাকে সামাল দিতে পারলেও বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নের গতিকে থামিয়ে দিতে পারে। যে কারণে দেশের উৎপাদনমুখী কৃষি, শিল্প এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। চাকরি, পেশা বা কর্ম হারানোর ফলে সমাজে ভাসমান শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। সব উৎপাদনশীল শিল্প খাত, বৈদেশিক রেমিট্যান্স, খাদ্যনিরাপত্তা স্বাভাবিক রাখা ও অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে সুষ্ঠু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। সচ্ছল ও প্রান্তিক কৃষকের সমান সরকারি সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। উচ্চফলনশীল জাতের চাষাবাদ শুরু করতে প্রয়োজনে কৃষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। কৃষকের পণ্যের ও শ্রমের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। করোনাকালীন অর্থনীতিকে সচল করতে বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী এবং কুটির শিল্পের উদ্যোক্তা, ইন্টারনেটভিত্তিক অনলাইন মার্কেটিং প্রভৃতিকে টিকিয়ে রাখতে হবে। একুশ শতককে বলা হয় জীববিজ্ঞানের শতাব্দী। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অণুজীব বিজ্ঞানীদের যথাযথভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে না। ভাইরাস শনাক্তকরণ ও ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে জীবপ্রযুক্তিকে ব্যবহার করার এখনই চূড়ান্ত সময়। দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য পৃথক গবেষণা ক্যাডার পদ সৃষ্টি করে অথবা নবম গ্রেডের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদ সৃষ্টি করে বিশেষায়িত গবেষণা খাতে অণুজীব বিজ্ঞানী, জৈব রসায়নবিদ ও জৈব প্রযুক্তিবিদদের বা বিষয়ভিত্তিক মেধাবীদের নিয়োগ দিয়ে স্বাস্থ্য খাতকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার বিষয়ে সরকারকে ভাবতে হবে। ১৯৯২ সালে প্রথম সরকারি হাসপাতালগুলোয় অণুজীব বিজ্ঞানী নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু পরের বছরই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। সৃষ্ট পদগুলোয় কাজ করছেন চিকিৎসকরা। অণুজীব বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এতে চিকিৎসকরা মূল কাজে বেশি সময় দিতে পারছেন না। পুনরায় এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা উচিত বলে মনে করি। করোনাকাল বা ‘কোভিড-১৯’ ভাইরাস, এমনকি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে দেশের অণুজীব বিজ্ঞানীদের মেধাকে কাজে লাগাতে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী ও ব্যাপক পরিসরে গবেষণা খাত সৃষ্টি করতে হবে। তা না হওয়ায় দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ মানবসম্পদ তথা মেধাসম্পদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে স্বাস্থ্য, শিল্প, কৃষি ও শিক্ষা খাতের কিছু ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে। ডাক্তার যেমন ডাক্তার হবে, ইঞ্জিনিয়ার যেমন ইঞ্জিনিয়ার হবে, ঠিক তেমনই বিশেষত গবেষণা ও উদ্ভাবনধর্মী আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাত চিহ্নিত করে বিষয়ভিত্তিক পেশা নিশ্চিত করতে হবে, বিষয়ভিত্তিক মেধাবীদের নিয়োগ দিতে হবে।

পরিবর্তমান জলবায়ুতে মানবজাতির স্বাস্থ্য নিয়তই নতুন নতুন সংকট ও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতিকে সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। নতুন নতুন রোগ বিশ্বের নানা প্রান্তে দেখা দিচ্ছে। এগুলোর প্রতিষেধকও আবিষ্কার ও উদ্ভাবন করতে হয় মানুষকেই। এ ক্ষেত্রে মানবজাতির ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় এনে অণুজীব বিজ্ঞানীদের মেধাকে কাজে লাগাতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিসহ বিষয়ভিত্তিক পেশা সৃষ্টি করতে হবে। বর্তমানে দেশের ‘কোভিড-১৯’ ভাইরাসজনিত জরুরি অবস্থা মোকাবিলায়ও দেশের অণুজীব বিজ্ঞানীদের মেধাকে কাজে লাগানো উচিত বলে মনে করি। তা ছাড়া যে কোনো ধরনের মেধা যাতে বিদেশে পাচার হতে না পারে, সে বিষয়েও সরকারকে নজরদারি বাড়াতে হবে বলে মনে করি। নিজের পছন্দমতো বিষয় নিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের পর ছাত্রছাত্রীরা যেন সচ্ছল ক্যারিয়ার গড়তে পারে। বিষয়ভিত্তিক মেধাকে বিষয়ভিত্তিক গবেষণা ও পেশায় ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় প্রচুর পরিমাণে টেকনিক্যাল ও প্রাগমেটিক কোর্স ও বিষয় চালু করা হয়েছে। কিন্তু উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর এসব বিষয়ভিত্তিক মেধার অপচয় হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এত বিশেষায়িত বিষয় সৃষ্টি করা হয়েছে অথচ এসব বিষয় নিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করা মেধাবীদের মেধাকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্র সৃষ্টি করা হয়নি। ফলে সমাজে হতাশা, বৈষম্য ও অবক্ষয় বাড়ছে। সংকটকালে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মেধাবী বিশেষজ্ঞ পাওয়া যায় না। এখনই সময় মেধার অপচয় রোধ করে মেধাকে সম্পদ হিসেবে যথার্থ ক্ষেত্রে ব্যবহার করার।

বিষয়ভিত্তিক কর্মসৃজন ও গবেষণা খাত সৃষ্টি করার ব্যাপারে সরকারকে ভাবতে হবে, এতে দেশের অর্থনীতি আরও বেশি শক্তিশালী হবে এবং রাষ্ট্র আরও দ্রুত উন্নতি লাভ করবে বলে বিশ্বাস করি। তা ছাড়া দেশের ভবিষ্যৎ মানবজাতির উন্নত ও রোগমুক্ত জীবনের জন্যও প্রস্তুতি রাখতে হবে। এর জন্য শিক্ষা, কৃষি, শিল্প ও স্বাস্থ্যবিষয়ক খাতগুলোয় সুষ্ঠু ও টেকসই উন্নয়নের পরিকল্পনা করে গবেষণায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিতে হবে। প্রকৃতি পরিবেশকে রক্ষার জন্য সঠিক, টেকসই সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন করতে হবে। ‘কোভিড-১৯’ ভাইরাস সংক্রমণজনিত মহামারী ঠেকাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিকল্প নেই। আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো ও শিক্ষাব্যবস্থা যে সনাতন পদ্ধতিতে গড়ে উঠেছে, সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা চিন্তা করাও উচিত নয়। কিন্তু আমাদের দেশের সব স্তরের শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হয়। কোর্স সম্পন্ন করা, পরীক্ষা গ্রহণ, ফলাফল প্রস্তুতকরণ, নতুন শ্রেণিতে ভর্তি ইত্যাদি বিষয়ও সম্পন্ন করতে হয়। এই অবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সরকার গভীরভাবে ভাবছে। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারি টেলিযোগাযোগ সেবাকে (টেলিটক মোবাইল অপারেটর) আরও শক্তিশালী করে এই অপারেটরের মাধ্যমে ইন্টারনেট দেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে। এতে বেসরকারি বিদেশি শোষক অপারেটরগুলোর ওপর দেশের মানুষের নির্ভরতা কমবে, দেশের মানুষ মুক্তি পাবে এবং সরকারও স্বস্তি ফিরে পাবে। একই সঙ্গে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের মূল্য কমাতে হবে, যাতে সাধারণ ছাত্রছাত্রী অতি অল্প মূল্যে অথবা বিনামূল্যে সরকারি ইন্টারনেট সেবা পেতে পারে এবং অনলাইন ক্লাসগুলোয় যুক্ত হতে পারে। শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিটি স্তরের শিক্ষাব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় এনে ঢেলে সাজাতে হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের টেকনোলজির আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে দেশের সব স্তরের শিক্ষকদের জন্য অনলাইন ক্লাস-পরীক্ষাসংক্রান্ত বিশেষ ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। গতানুগতিক শিক্ষা পদ্ধতি ও শিক্ষাব্যবস্থার বিকল্প পদ্ধতি ও উপায় উদ্ভাবনের কথা ভাবতে হবে। সব স্তরের শিক্ষায় নৈতিক বিবেকী মানবিক ও দেশপ্রেমমূলক শিক্ষাকে বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকারি সম্পদ ও অর্থের অপচয় কমাতে হবে, দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। সব স্তরে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। শিক্ষকদের পাঠদান দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। মহামারীর প্রকোপ ঠেকাতে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

দীর্ঘ সময়ে শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা, জ্ঞানলাভ, জ্ঞান আহরণ ও জ্ঞান বৃদ্ধির প্রক্রিয়াগুলো থেকে ছাত্রছাত্রীরা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, বাল্যবিবাহ বাড়তে পারে, শিশুশ্রম ও শিশু অপরাধও বৃদ্ধি পেতে পারে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিজ্ঞান গবেষণা খাতকে আরও শক্তিশালী ও কর্মক্ষম করে তুলতে হবে। প্রতিবন্ধী ও আদিবাসীদের জন্য শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত রাখতে হবে। গ্রাম ও শহরে বেশ কিছু মানুষ নতুনভাবে দরিদ্র হয়েছে, এদের জীবন-জীবিকার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন আর্থিক, কৃষি ও শিল্প খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। যে কোনো মূল্যে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শ্রমিক ও কর্মী ছাঁটাই ঠেকাতে হবে। অন্যদিকে দেশের সব মেডিকেল কলেজ, কৃষি মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় পরিচালিত গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোয় জৈবপ্রযুক্তি বিভাগ থাকলেও সেখানে চাকরি পান না জৈবপ্রযুক্তির শিক্ষার্থীরা। অথচ দেশের প্রায় সব বিশ^বিদ্যালয়ে বিষয়টি এখন পড়ানো হয়। মেধার অপচয় রোধ করে একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে অণুজীব বিজ্ঞানীদের কাজে লাগাতে হবে।

‘কোভিড-১৯’ আমাদের দেখিয়েছে কীভাবে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। সারা পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের মেধাবী প্রজন্মকে সেই যাত্রায় শামিল করতে হবে। জীবপ্রযুক্তির মতো সর্বাধুনিক বিষয়কে উপেক্ষা করে আমরা সেই যাত্রায় অংশ নিতে পারব না। এ সত্যটি স্বীকার করে সব বৈষম্য দূর হোক, শুরু হোক নতুন এক উদার ও সম্ভাবনাময় পথচলা।

ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ : গবেষক ও অধ্যাপক, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। প্রেষণে কোষাধ্যক্ষ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

advertisement
Evaly
advertisement