advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গোডাউনে জায়গার অভাবে কসবায় কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা হচ্ছে না

করোনাকালে অর্থকষ্টে হতাশ কৃষকরা

কসবা প্রতিনিধি
১১ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০২০ ০২:১৯
advertisement

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় চলতি মৌসুমে কৃষক থেকে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি এখনো। গোডাউনে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ধান কেনা হচ্ছে না কৃষকের কাছ থেকে। কৃষকরা ধান নিয়ে গোডাউনে আসতে চাইলেও ফিরিয়ে দিচ্ছেন এলএসডি গোডাউন কিপারগণ। সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে না পেরে এই করোনাকালে অর্থকষ্ট ও হতাশার মধ্যে দিনযাপন করছেন এলাকার কৃষকরা।

জানা যায়, চলতি অর্থবছরে কসবা উপজেলার দুটি গোডাউনে ২৩৯৫ মেট্রিক টন ধান কৃষক থেকে সরাসরি নায্যমূল্যে ক্রয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। জেলায় প্রথম গত ৩০ এপ্রিল উপজেলার পানিয়ারূপ গ্রামে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় উদ্বোধন করেছিলেন জেলা প্রশাসক হেদায়েত উল্লাহ খান। কিন্তু এই ধারাবাহিকতা রাখা সম্ভব হচ্ছে না। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষকদের বাড়ি থেকে ধান ক্রয় না করে কৃষকের খরচায় গোডাউনে ধান নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। এতে করে কৃষকরা গোডাউনে ধান নিয়ে আসছিলেন। কিন্তু কুটি গোডাউনে ধান-চালে পরিপূর্ণ থাকায় ধান ক্রয় করছেন না ওই এলএসডি গোডাউন কিপার। এই ভরা বর্ষা মৌসুমে প্রচুর ধান গোডাউনের বাইরে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রেখেছেন বলে জানান তিনি। সরেজমিন এর সত্যতাও পাওয়া যায়। যে হারে বৃষ্টিপাত হচ্ছে তাতে অল্পদিনের মধ্যেই গোডাউনের মাঠ পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই গোডাউন খালি করার জন্য কিছু ধান-চাল বন্দর নগরী চট্টগ্রামের গোডাউনে পাঠাচ্ছেন বলে কুটি এলএসডি গোডাউন কিপার জানান।

কসবা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন গতকাল জানান, সাধারণত অন্যান্য সময়ের চেয়ে দেশে দুর্যোগকালীন সময়েও খাদ্য বিভাগের কর্মচারীদের ব্যাপক কর্মব্যস্ত থাকতে হয়। এ জন্য ধান ক্রয় ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, কসবায় দুটি গোডাউনের মধ্যে কসবা সদরের গোডাউনে কৃষকরা ধান দিতে পারবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কসবা উপজেলা ধান ক্রয়ে এগিয়ে আছে। লক্ষ্যমাত্রার ৬০ ভাগ ধানই ক্রয় করা হয়েছে।

advertisement
Evaly
advertisement