advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চাঁপাইনবাবগঞ্জে রেললাইন ঘেঁষে গড়ে উঠেছে দোকান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ  প্রতিনিধিক
১১ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০২০ ০২:১৯
advertisement

চাঁপাইনবাবগঞ্জে রেললাইনের ওপর রাখা হচ্ছে বিভিন্ন ভাঙ্গারি মালামাল, সেইসঙ্গে রেললাইন ঘেঁষে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী দোকান। লাইনের পাশেই শুকানো হচ্ছেও বস্তিবাসীর কাপড়চোপড়। এতে রেল দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলস্টেশনে সীমানাপ্রাচীর না থাকায় রেললাইনের পশ্চিম প্রান্তে ইঞ্জিন ক্রসিং এলাকা ঘেঁষে বেশ কিছু ভাঙ্গারি ও লোহালক্কড়ের দোকান গড়ে উঠেছে। এসব ভাঙ্গাড়ি দোকানিরা রেললাইনের ওপর ভাঙ্গাড়ি মালামাল ও চাটাই ফেলে রাখছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা থেকে কুড়িয়ে আনা এসব ভাঙ্গাড়ি মালামাল রাখায় আশপাশের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যও রয়েছে হুমকির মুখে। কারণ বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতাল থেকে কুড়িয়ে আনা মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগসংবলিত সিরিঞ্জ, স্যালাইনের খালি ক্যানসহ বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা থেকে আনা প্লাস্টিক সামগ্রীর জীবাণু বাতাসের মাধ্যমে স্টেশনের পরিবেশ দূষিত করছে।

রেললাইনের পাশে গড়ে ওঠা এসব ভাঙ্গাড়ি দোকান থেকে ছড়ানো রোগজীবাণু মানুষের শরীরেও প্রবেশ করে মানুষকে অসুস্থ করে তোলারও আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে এসব দোকানের কার্যক্রম। এ ছাড়া পশ্চিম প্রান্তে রেললাইনঘেঁষে কলা, ডাবসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করাসহ আশপাশের বসবাসকারীর গরু-ছাগলও রেললাইনের ওপর বেঁধে রাখা হয়। এদিকে পূর্বপ্রান্তে বস্তিবাসীরা রেললাইনের পিলারগুলোয় তার টাঙিয়ে তাতে ব্যবহৃত কাপড়চোপড় শুকাতে দিচ্ছেন। অন্যদিকে রেললাইনঘেঁষে বেশ কয়েকটি কামারের দোকানও রয়েছে। এতে বড় ধরনের রেল দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে বিশিষ্টজনরা মনে করছেন।

এ ব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলস্টেশন মাস্টার মো. মনিরুজ্জামান জানান, মাঝে মধ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালালেও তারা কিছুদিন পর আবার এসে বসে। তবে রেলস্টেশনটি নিরাপত্তাবেষ্টনী দিয়ে ঘিরে তুললে কোনো সমস্যা থাকবে না। তিনি আরও জানান, রেললাইনের দুপাশে ১০ ফুট করে জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও কেউ তা মানে না।

advertisement
Evaly
advertisement