advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চার ইউনিয়নবাসীর দুঃখ ঘুচবে কবে

অলিদ মিয়া মাধবপুর
১১ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০২০ ০২:১৯
advertisement

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সদরের সঙ্গে আদাঐর, বহরা, চৌমুহনী ও ধর্মঘর ইউনিয়নবাসীর যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম মাধবপুর-ধর্মঘর সড়ক। এই সড়ক দিয়ে লক্ষাধিক মানুষ যাতায়ত করে। সড়কটিকে চার ইউনিয়নবাসী তাদের দুঃখ বলে অভিহিত করে থাকেন। তাদের প্রশ্নÑ করে ঘুচবে লক্ষাধিক মানুষের ভালো একটি সড়ক না পাওয়া দুঃখ?

জানা যায়, প্রায় এক যুগের খানাখন্দে ভরা এই সড়ক মেরামতের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দরপত্র আহ্বান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এইচ ই এম এইচ (জেভি) নামক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই কাজ পায়। মাধবপুর থেকে ধর্মঘর পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে চৌমুহনী বাজার পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সংস্কার করতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বিভাগের সঙ্গে গত বছরের ৩ জুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুয়ায়ী ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর কাজটি সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু গত ১২ মাসে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওই সড়কের মাত্র ৩০ ভাগ কাজ করে। আর প্রাক্কলিত মূল্য ১৪ কোটি ৬৫ লাখ ৯৫ হাজার ২০১ টাকার মধ্যে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা বিল উত্তোলন করে নিয়ে গেছে বলে এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

উপজেলার দক্ষিণাংশের ওই চার ইউনিয়নে রয়েছে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি মহাবিদ্যায়সহ সর্বাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ওই অঞ্চলে উৎপাদিত নানা জাতের বিপুল পরিমাণ সবজি রপ্তানি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। ফলে এলাকাবাসীর কাছে সড়কটির গুরুত্ব অনেক। দীর্ঘদিনের ভাঙা পিচঢালা সড়ক পরিণত হয়েছে মাটির রাস্তাতে। জনগণকে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। সড়ক ভাঙা থাকার সুযোগে যানবাহনের চালকরা যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে আদায় করছে দ্বিগুণ ও তিনগুণ ভাড়া। অভিযোগ আছে, কচ্ছপগতিতে চলছে সড়কের মেরামত কাজ। কাজেও আছে অনিয়ম। এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মনতলা বাজারের সূর্য লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী আবুল হোসেন সবুজ। তিনি বলেন, উপজেলা সদরের সঙ্গে একমাত্র সড়কটি আমাদের দীর্ঘদিনের দুঃখ।

তবে কাজের মান সঠিক রাখার দাবি করে এইচ ই এম এইচ (জেভি) ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জুয়েল আহমেদ বলেন, বাকি ৭০ ভাগ কাজ চুক্তি মেয়াদের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) মাধবপুর উপজেলার প্রকৌশলী মো. জুলফিকার হক চৌধুরী জানান, ধীরগতিতে কাজ পরিচলানাকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাগিদপত্র দেওয়া হয়েছে। চুক্তির সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মতামত নিয়ে সেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হবে।

advertisement
Evaly
advertisement