advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গজারিয়া-মতলব সেতুর জন্য চলছে সয়েল টেস্ট

আমিরুল ইসলাম নয়ন গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ)
১১ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০২০ ০২:১৯
advertisement

ভৌগোলিক কারণে চাঁদপুরের মতলব উপজেলার কয়েক লাখ মানুষকে গজারিয়া হয়ে সড়কপথে যোগাযোগ রক্ষা করতে হয় রাজধানী ঢাকার সঙ্গে। কিন্তু মাঝখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌপথে পার হতে হয় প্রায় দেড় কিলোমিটার প্রস্থের প্রমত্তা মেঘনা নদী। মতলব-গজারিয়া সড়ক যোগাযোগ রক্ষা করতে সম্প্রতি মেঘনায় একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে মতলববাসীর স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডির) অধীনে মেঘনা নদীর গজারিয়া অংশের কালিপুরা ঘাট থেকে মতলব পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার অংশে নির্মিত হবে এই সেতু। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে শুরু হয়েছে মাটি পরীক্ষার কাজ। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই শুরু হতে পারে সেতু নির্মাণের কাজ।

সরেজমিন গত ৮ জুলাই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদীর বিভিন্ন অংশে মাটি পরীক্ষার কাজ করছে এৎড়ঁহফ ওহংঃৎঁসবহঃধঃরড়হ ্ বহমরহববৎরহম ঢ়ঃব. খঃফ (এওঊ) নামে একটি কনসালট্যান্ট ফার্ম। প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত একজন প্রকৌশলী জানান, গত ২০ জুন থেকে তারা মাটি পরীক্ষার কাজ শুরু করছেন, যা আগামী দু-এক দিনের মধ্যে শেষ হবে। বিষয়টি জানার পর আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় ট্রলারচালক পাচু মিয়া, ছামেদ প্রধান ও তৌহিদ হোসেন বলেন, সেতু নির্মাণ হলে তাদের ট্রলারে কে উঠবে। তার পরও তারা খুশি। এলাকাবাসীর খুশির কথা চিন্তা করে প্রয়োজন পড়লে পেশা বদল করতেও রাজি তারা।

এই নৌপথে নিয়মিত চলাচলকারী শাহিনা বেগম ও দেলোয়ার বেপারি জানান, শীত মৌসুমে যখন কুয়াশার তীব্রতা বেশি থাকে, তখন এই নৌ-রুটে নিয়মিত ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া ঝড়ের সময় বা সন্ধ্যার পর ট্রলার পাওয়া যায় না। সেতুটি নির্মাণ হলে তাদের অনেক উপকার হবে। শুধু তা-ই নয়, রাজধানী শহর ঢাকার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সহজতর, পণ্য পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।

এলজিআরডি গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলী আরজুরুল হক আরজু জানান, দেড় কিলোমিটার প্রশস্তের এই নদীর বেশিরভাগ অংশ গজারিয়ার উপজেলা সীমানায় এবং বাকি অংশ চাঁদপুরের মতলব উপজেলার সীমানায়। সে কারণে সীমানা নিয়ে কিছুটা জটিলতা আছে। সম্পূর্ণ কাজটি কয়েক ধাপে বিভক্ত করে এলজিআরডির মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুর যৌথভাবে বাস্তবায়ন করবে। বিষয়টি সম্পর্কে এলজিআরডির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর বর্তমানে সয়েল টেস্টের কাজ চলমান আছে।

advertisement
Evaly
advertisement