advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘দুই-তিন মাসের মধ্যে আমরা হয়তো করোনা মুক্ত হবো’

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ জুলাই ২০২০ ১৫:০৭ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০২০ ১৯:২২
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল। পুরোনো ছবি
advertisement

আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ করোনাভাইরাস মুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।

গণস্বাস্থ্যের করোনা শনাক্তের র‌্যাপিড টেস্ট কিটের আবিষ্কারক ড. বিজন বলেন, ‘আমি মনে করি হার্ডলি আর দুই থেকে তিন মাস আমরা হয়তোবা করোনা থেকে মুক্ত হবো। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে, এটা কিন্তু জোন ওয়াইজ চলবে। সামনে যে ঈদটা আসছে, এ সময় কিছু ভাইরাস এদিক সেদিক ছড়াবে বিভিন্ন জায়গা থেকে। সেটা হয়তো একটু দীর্ঘায়িত হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘তবে যেটা বলা হয়, এ সমস্ত অ্যাকিউট ইনফেকশন যেটাকে বলা হয় দ্রুত আসে দ্রুত চলে যায়। এটা সাধারণত একটা সমাজে যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যাপক এন্টিবডি তৈরি না হয় ততক্ষণ চলতেই থাকে। যতক্ষণ সে ভার্জিন হোস্ট পাবে ততক্ষণ সে গ্রো করবে। যখন সে হোস্ট পাবে না বা ভাইরোসের পরিমাণ কমে আসবে ইমিউনিটি বেল্ট তৈরি হবে, তখন সেটা কমতে কমতে ফাইনালি চলে যাবে।’

এই বিজ্ঞানী বলেন, ‘আমাদের দেশে যেহেতু এটির জানা মতে এখনো কোনো রিজার্ভার হোস্ট নেই, তাই এটি যদি একবার চলে যায় তবে আমাদের দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। ব্যাপকহারে এন্টিবডি তৈরি হবে, ব্যাপক মানুষ ইমিউনিটি তৈরি করবে, এটা আর সহজে আমাদের সমাজে ঢুকতে পারবে না।’

‘বাংলাদেশে এই মুহূর্তে যদি পিক টাইম হয়, তাহলে ধরেন যে যদি সংস্পর্শে আসে তাহলে কিন্তু অনেক লোক আছে এবং আমি যেটা বললাম যে, একটি পরিবারের এক-দুই লোক ইনফেকটেড বাকিরা সবাই ইমিউনিটি তৈরি করেছে। এই হিসাব করলে কিন্তু অনেক’, যোগ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই বিজ্ঞানী।

ড. বিজন বলেন, ‘এটাতো একটা সার্ভে না করলে বলা যাবে না। আমার মনে হয়, এন্টিবডি টেস্ট বাংলাদেশে আসছে। ডেভিনেটলি বাংলাদেশ গর্ভমেন্ট এ ব্যাপারে একটা পদক্ষেপ নেবেন এবং উনারা যদি ঢাকা শহরেরই বিভিন্ন এলাকায় স্যাম্পল কালেকশন করে দেখতে পারেন তাহলে ইজিলি বোঝা যাবে যে কত পার্সেন্ট মানুষের ভেতর এন্টিবটি এসেছে এবং এটা নিতান্ত কম না। এটা কিন্তু খুব সুখের খবর।’

advertisement