advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

উৎপাদন ও সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০২০ ০০:১২
advertisement

দেশে দীর্ঘদিন থেকে বিনিয়োগে মন্দা চলছে। নতুন করে যুক্ত হয়েছে মহামারী করোনা ভাইরাস। মানুষের এখন বেঁচে থাকার লড়াই চলছে। দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। কতদিন চলবে তাও বলা যাচ্ছে না। অর্থনীতি সচল করতে হলে দ্রুত করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অর্থনীতি বাঁচিয়ে রাখতে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে সরকার। তা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কিন্তু সেখানে বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে। অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে করোনার কারণে বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। মানুষের চাহিদা কমে গেছে। বহির্বিশ্বেও চাহিদা কমেছে। এ জন্য বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিনিয়োগ ধরে রাখতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে। পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করতে প্রণোদনা বাড়ানোর বিকল্প নেই। বাণিজ্য যেভাবে বন্ধ রয়েছে, তা স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে হলে প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখাও জরুরি। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম আমাদের সময়ের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।

মির্জ্জা আজিজুল বলেন, এভাবে যদি সংক্রমণ চলতে থাকে আর্থিক কর্মকা-ের অন্যান্য প্রক্রিয়া কোনোভাবেই সচল থাকবে না। ফলে এখন আমাদের সামনে জরুরি হলো করোনা সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা। এ জন্য সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করতে হবে। কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশে দীর্ঘদিন থেকে বিনিয়োগে মন্দা চলছে। বেসরকারি বিনিয়োগ অত্যন্ত হতাশাজনক। দেশের অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে এ বিনিয়োগ কমছে। এ মন্দা কাটাতে উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য পুঁজির জোগান নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও তার খুব একটা বেশি সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। আশা করছি, স্টপ সার্ভিসের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা পেলে বিনিয়োগে সুফল আসতে পারে।

তিনি বলেন, জিডিপির সঙ্গে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আদায়ের প্রক্ষেপণ বাস্তবসম্মত নির্ধারণ করা হয়নি। প্রবৃদ্ধি কত হবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে বর্তমান করোনা সংকট পরিস্থিতি কতদিন স্থায়ী হয় তার ওপর। ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার চিন্তাও ভালো মনে হচ্ছে না। যখন বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি কম, তখন সরকার বড় অঙ্কের ঋণ নিলে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আরও কমবে। তাতে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হবে।

advertisement
Evaly
advertisement