advertisement
advertisement

চৌগাছায় ছাত্রলীগ নেতাকে রগ কেটে হত্যার চেষ্টা

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
১২ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০২০ ০০:১৪
advertisement

চৌগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেনকে (৩০) বাম পায়ের রগ কেটে ও হাতুড়ি পেটা করে হত্যার চেষ্টা করেছে প্রতিপক্ষ। হামলায় ইব্রাহিমের দুই পা-ই ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। একই সময়ে ছাত্রলীগ সভাপতির মোটরসাইকেলে থাকা মিঠুন বিশ্বাসের মাথায়ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে। ইব্রাহিম হোসেন উপজেলার চৌগাছা সদর ইউনিয়নের বেড়গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুল খালেক বিশ্বাসের ছেলে এবং মিঠুন বিশ্বাস একই গ্রামের শ্রী মাইন বিশ্বাসের ছেলে।

শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে চৌগাছা সদর ইউনিয়নের চৌগাছা-বেড়গোবিন্দপুুর সড়কের বেড়গোবিন্দপুর বাঁওড় ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ইব্রাহিম হোসেন বলেন, রাত আটটার পরে তিনি চৌগাছা শহর থেকে নিজ গ্রাম বেড়গোবিন্দপুর যাচ্ছিলেন। বেড়গোবিন্দপুর বাঁওড় ব্রিজ সংলগ্ন সড়কের একটি বাঁশঝাড়ের কাছে ওঁৎ পেতে থাকা ১০/১৫ ব্যক্তি রামদা, লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। বেড়গোবিন্দপুর গ্রামের পারভেজ, মহব্বত মল্লিক, রকি, বিপুল মল্লিক ও আলমকে আমি চিনতে পেরেছি। অন্যদের চিনতে পারিনি। তিনি আরও বলেন, আমি দৌড় মেরেছিলাম। তারা আমাকে ধরে রামদা দিয়ে আমার বাম পায়ে কোপ দিয়ে রগ কেটে দেয়। অপর পায়ে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। এ সময় দুজন আমার মাথা ঠেসে ধরে রেখেছিল। যেন আমি মরে যাই। আমি মরে গেছি ভেবে তারা আমাকে ফেলে রেখে যায়।

চৌগাছা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হাদিউজ্জামান সিয়াম বলেন, ইব্রাহিমের বাম পায়ের শির ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কেটে গেছে। তার দুই পাই ভারী কিছুর আঘাতে ভেঙে গেছে। আর মিঠুনের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গভীর ক্ষত হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এ দিকে রাতেই ওই ঘটনায় ১৩ জনকে আসামি করে চৌগাছা থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন ইব্রাহিমের ভাই জাহিদুর রহমান মিলন।

চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজীব বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

advertisement
Evaly
advertisement