advertisement
advertisement

ঈশ্বরগঞ্জের দুই করোনাযোদ্ধা

রতন ভৌমিক ঈশ্বরগঞ্জ
১২ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০২০ ০০:১৪
advertisement

রতন ভৌমিক ঈশ^রগঞ্জ ষ

ময়মনসিংহের ঈশ^রগঞ্জ উপজেলায় করোনা মহামারী রোধ ও নিয়ন্ত্রণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন দুই সম্মুখযোদ্ধা। তারা হলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মাহ্মুদ হাসান সুমন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন। পৌর মেয়র মো. আবদুস ছাত্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাঈদা পারভীন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল হুদা খান ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দকে সঙ্গে নিয়ে তারা গত এপ্রিল থেকে অবতীর্ণ হয়েছেন করোনাযুদ্ধে। বিদেশ ও ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরণ, সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদ্বুদ্ধকরণ ও সচেতন করে তোলা, আইন অমান্যকারীদের জরিমানাসহ আইন প্রয়োগ চলছে সমান্তরালভাবে। যার ফলে এখনো করোনায় মৃত্যুশূন্য এ উপজেলা। এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে ৯৭৪টি। মোট আক্রান্ত ৮৫ জন, সুস্থ হয়েছেন ৭২ জন এবং আইসোলেশনে রয়েছেন ১৩ জন।

জানা গেছে, করোনা বিপর্যয় রোধে ১০ সদস্যবিশিষ্ট উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপদেষ্টা উপজেলা চেয়ারম্যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন করোনা মহামারীর শুরু থেকে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরণ, হাটবাজার মনিটরিং,খাদ্য সহায়তা তদারকি ও করোনা জয়ীদের বরণ করতে গিয়ে সংক্রমণের ভয়ে নিজ পরিবার থেকে দূরে থাকেন প্রায়ই। তিনি বলেন, ভয় এবং শঙ্কাকে পাশে ঠেলে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা দিয়ে করোনা বিপর্যয় রোধে কাজ করতে চেষ্টা করছি। আমি তিনবার অনুমেয় করোনা উপসর্গে ভুগেছি এবং মানুষের দোয়ায় তিনবারই করোনা নেগেটিভ ফল এসছে।

উপজেলায় করোনা বিপর্যয়ের শুরু থেকে জনসচেতনতা তৈরি, কর্মহীন পরিবারের মাঝে উপজেলা পরিষদ ও ব্যক্তিগতভাবে খাদ্য সহায়তায় উপজেলা চেযারম্যান মাহ্মুদ হাসান সুমনের পদচারণা উপজেলাব্যাপী। তিনি বলেন, জনগণ আমাকে রায় দিয়ে নির্বাচিত করেছে। তাই ব্যক্তিগত দায়বোধ থেকেই মানুষের পাশে থাকতে চাই।রতন ভৌমিক ঈশ^রগঞ্জ ষ

ময়মনসিংহের ঈশ^রগঞ্জ উপজেলায় করোনা মহামারী রোধ ও নিয়ন্ত্রণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন দুই সম্মুখযোদ্ধা। তারা হলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মাহ্মুদ হাসান সুমন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন। পৌর মেয়র মো. আবদুস ছাত্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাঈদা পারভীন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল হুদা খান ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দকে সঙ্গে নিয়ে তারা গত এপ্রিল থেকে অবতীর্ণ হয়েছেন করোনাযুদ্ধে। বিদেশ ও ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরণ, সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদ্বুদ্ধকরণ ও সচেতন করে তোলা, আইন অমান্যকারীদের জরিমানাসহ আইন প্রয়োগ চলছে সমান্তরালভাবে। যার ফলে এখনো করোনায় মৃত্যুশূন্য এ উপজেলা। এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে ৯৭৪টি। মোট আক্রান্ত ৮৫ জন, সুস্থ হয়েছেন ৭২ জন এবং আইসোলেশনে রয়েছেন ১৩ জন।

জানা গেছে, করোনা বিপর্যয় রোধে ১০ সদস্যবিশিষ্ট উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপদেষ্টা উপজেলা চেয়ারম্যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন করোনা মহামারীর শুরু থেকে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরণ, হাটবাজার মনিটরিং,খাদ্য সহায়তা তদারকি ও করোনা জয়ীদের বরণ করতে গিয়ে সংক্রমণের ভয়ে নিজ পরিবার থেকে দূরে থাকেন প্রায়ই। তিনি বলেন, ভয় এবং শঙ্কাকে পাশে ঠেলে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা দিয়ে করোনা বিপর্যয় রোধে কাজ করতে চেষ্টা করছি। আমি তিনবার অনুমেয় করোনা উপসর্গে ভুগেছি এবং মানুষের দোয়ায় তিনবারই করোনা নেগেটিভ ফল এসছে।

উপজেলায় করোনা বিপর্যয়ের শুরু থেকে জনসচেতনতা তৈরি, কর্মহীন পরিবারের মাঝে উপজেলা পরিষদ ও ব্যক্তিগতভাবে খাদ্য সহায়তায় উপজেলা চেযারম্যান মাহ্মুদ হাসান সুমনের পদচারণা উপজেলাব্যাপী। তিনি বলেন, জনগণ আমাকে রায় দিয়ে নির্বাচিত করেছে। তাই ব্যক্তিগত দায়বোধ থেকেই মানুষের পাশে থাকতে চাই।

advertisement
Evaly
advertisement