advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ব্যবধান কমাল বার্সা

ক্রীড়া ডেস্ক
১৩ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২০ ০১:৩৭
advertisement

রিয়াল মাদ্রিদের প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়া শিরোপা উদযাপনটা একটু দেরি করিয়ে দিতে জিততেই হতো বার্সেলোনাকে। পয়েন্ট টেবিলের ১৪ নম্বরে থাকা ভায়োদোলিদের বিপক্ষে ৩ পয়েন্ট অর্জন করে বার্সেলোনা আপাতত সেটুকু নিশ্চিত করতে পেরেছে। আর্তুরো ভিদালের ১৫ মিনিটের গোলের পর ম্যাচটা যতখানি সহজ হতে পারত ততখানি হয়নি। ঘাম ঝরাতে হয়েছে, মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগানের দারুণ কিছু সেভে আর পয়েন্ট হারাতে হয়নি বার্সাকে।

লকডাউনের পর মাঠে ফিরে তিনটি ম্যাচ ড্র করেই মূলত শিরোপা স্বপ্ন মøান করে ফেলেছে স্প্যানিশ লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ক্লাব বার্সেলোনা। অন্যদিকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ টানা ৮ ম্যাচ জিতে চলে গেছে শিরোপার অনেক কাছে। ভায়োদোলিদের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয়ের পর ৩৬ ম্যাচে বার্সেলোনার সংগ্রহ ৭৯ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে রিয়ালের ঝুলিতে রয়েছে ৮০ পয়েন্ট। অর্থাৎ বাকি থাকা তিন ম্যাচে রিয়াল যদি ৫ পয়েন্ট পায়, তা হলে কোনো সমীকরণ ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন হবে জিদানের শিষ্যরা। অন্যদিকে লিগের দুই ম্যাচ বাকি থাকা বার্সার শিরোপা সমীকরণ এখন নিজেদের দুই ম্যাচ জেতার পর, রিয়ালের ৫ পয়েন্ট হারানো। বর্তমান ফর্মের বিচারে যা একপ্রকার অসম্ভবই বলা চলে। কেননা নিজেদের শেষ ৮ ম্যাচে পূর্ণ ২৪ পয়েন্টই পেয়েছে রিয়াল, যা তাদের নিয়ে গেছে শিরোপার এত কাছে। শিরোপার কঠিন সমীকরণ মাথায় নিয়ে ভায়োদোলিদের মাঠে খেলতে নেমে নিজেদের চিরচেনা ফুটবলের ধারেকাছেও যেতে পারেনি বার্সেলোনা। ম্যাচের ১৫ মিনিটে লিওনেল মেসির অ্যাসিস্টে গোল করেন আর্তুরো ভিদাল। এটিই হয়ে থাকে ম্যাচের ফল নির্ধারক গোল।

সফরকারীরা এগিয়ে যেতে পারত পঞ্চম মিনিটেই; তবে নেলসেন সেমেদোর কাটব্যাক ভালো পজিশনে পেয়ে দুর্বল শটে সুযোগ নষ্ট করেন রিকি পুস। আক্রমণাত্মক শুরু করা দলটির গোল পেতে অবশ্য দেরি হয়নি। পঞ্চদশ মিনিটে দারুণ নৈপুণ্যে দলকে এগিয়ে নেন ভিদাল। তিন জনের মধ্যে থেকে মেসির বাড়ানো বল ডি-বক্সে পেয়ে জায়গা বানিয়ে কোনাকুনি শটে গোলটি করেন চিলির মিডফিল্ডার। বল দূরের পোস্টের ভেতরের দিকে লেগে জালে জড়ায়। আসরে এটা তার অষ্টম গোল। আর মেসির ২০তম অ্যাসিস্ট। চার মিনিট পর সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন গ্রিজম্যান। ডান দিক থেকে সেমেদোর পাস আট গজ দূরে ফাঁকায় পেয়েও শট নিতে ব্যর্থ হন ফরাসি ফরোয়ার্ড। ৩৭তম মিনিটে বার্সেলোনার শিবিরে ভীতি ছড়ান কিকে পেরেস। জেরার্ড পিকে ও ল্যাংলেটকে পেছনে ফেলে ডি-বক্সে ঢুকে শট নেওয়ার আগে তাল হারিয়ে ফেলেন স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডার। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে যেন কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলে বার্সেলোনা। সেই সুযোগে চাপ বাড়ানো ভায়োদোলিদ ৬০তম মিনিটে আরেকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে। তবে এনেস উনালের হেড দারুণ নৈপুণ্যে ঝাঁপিয়ে প্রতিহত করেন টের স্টেগেন।

৭৬তম মিনিটে মেসির কর্নারে হেড করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে যান পিকে। তাকে ফাউল করা হয়েছে দাবি করে পেনাল্টির আবেদন করেন স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডার; তবে রেফারির সাড়া মেলেনি। অসন্তুষ্ট পিকেকে বেশ কিছুক্ষণ ধরে রেফারির সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। শেষ দিকে বার্সেলোনার রক্ষণে প্রচ- চাপ বাড়ানো ভায়োদোলিদ গোল পেতে পারত। তবে সান্দ্রো রামিরেসের কাছের পোস্টে নেওয়া শট ঠেকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন টের স্টেগেন।

advertisement