advertisement
advertisement

কোরবানির হাটে আসছে নাগরপুরের ‘খোকা বাবু’

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
১৩ জুলাই ২০২০ ১৬:৫০ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২০ ১৭:০০
খোকা বাবু
advertisement

আর কয়েকদিন পরেই কোরবানির ঈদ। আর ঈদকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো টাঙ্গাইলের নাগরপুরের খামারীরাও প্রস্তুত তাদের গরু নিয়ে। এবার কোরবানির হাট কাঁপাতে আসছে নাগরপুরের খোকা বাবু। কালো সাদার মিশেল রঙের সুঠাম স্বাস্থ্যের অধিকারী ষাঁড়টিকে আদর করে নাম দেওয়া হয়েছে খোকা বাবু। গরুটি টাঙ্গাইলের নাগরপুরের নঙ্গীনা বাড়ির মো. আবুল কাশেম মিয়ার আদর-যত্নে পালিত। যার ওজন প্রায় ২৭ মণ। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে মানুষ কাশেমের বাড়িতে আসেন খোকাবাবুকে দেখতে।

খামারি কাশেম বলেন, ‘গরুর খাবার খাওয়ানোর সাধ্য আমার নেই। তাই নাগরপুর উপজেলার প্রাণী সম্পদ দপ্তরের ডা. রফিকুল ইসলাম স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। স্যার বলেন, আপনি গরুর ওজন এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাকৃতিক (ব্যালেন্সড) সুষম খাবার খাওয়ালে অর্থ ও ঝুঁকি দুইই কমবে এবং নিরাপদ মাংস উৎপাদিত হবে।

খোকা বাবুর দামের প্রত্যাশায় কাশেম আরও বলেন, ‘বাজার বরাবর বিক্রি করতে হবে। বাজারে ক্রেতা ও গরুর সরবরাহের উপর দাম নির্ভরশীল। তবে আমি ১২ লাখ টাকা চাচ্ছি।’

আগামী ঈদেও তিনি এমন গরু নাগরপুরবাসীকে উপহার দেবেন কি না- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যদি পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পাই তবে অবশ্যই চেষ্টা করব আরও ভালো মানের গরু পালন করার।’

মো. আবুল কাশেম মিয়ার জানান, খোকাবাবুর খাদ্য তালিকার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সবুজ ঘাস, গাছের পাতা, খর, ভূষি, ভুট্টা ভাঙ্গা, সরিষার খৈল, নালি, চাউলের কুড়া, লবন, পরিমান মত পানি। নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার ঘর ও ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত হাঁটানো, রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেওয়া এবং কৃমির ঔষধ খাওয়ানো। খোকাবাবুকে মোটা তাজা করার ব্যাপারে কোনো প্রকার ঔষধ ও ইনজেকসন ব্যবহার করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ সম্প্রসারন কর্মকর্তা আশিক সালেহীন বলেন, ‘গরুটি সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে লালন পালন করা হয়েছে। গরুটির জাত হলো ফিজিয়াম। এ জাতের গরু আমাদের দেশে এখন খামারিরা পালন করছে। আমার জানা মতে, গরুটি নাগরপুর উপজেলায় সর্বোচ্চ বড়।’

advertisement