advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জেকেজি হাতিয়েছে ৮ কোটি টাকা, রিজেন্টের অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ জুলাই ২০২০ ২০:০০ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২০ ২৩:৫৭
জেকেজির সাবরিনা ও রিজেন্টের সাহেদ
advertisement

জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীর বিরুদ্ধে করোনাভাইরাসের দেড় হাজারের বেশি ভুয়া রিপোর্ট প্রদানের মাধ্যমে আট কোটি টাকা আত্মসাতসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

অন্যদিকে, রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিমের অনিয়ম-দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। কমিশনের বিশেষ তদন্ত অনুবিভাগ এই অভিযোগটি অনুসন্ধান করবে বলে নিশ্চিত করেছেন দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য।

দুদক জানায়, ডা. সাবরিনা চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে কর্মরত (সরকারি চাকরি) থাকাকালে তার স্বামী আরিফ চৌধুরীর সহায়তায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহপূর্বক ১৫ হাজার ৪৬০টি ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট প্রস্তুত ও সরবরাহ করে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পেয়েছে দুদক।

ইতোমধ্যে কমিশনের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগ বিভিন্ন ব্যক্তি, গণমাধ্যম, ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমসহ বিভিন্ন উৎস থেকে ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সংগ্রহ করেছে। এসব অভিযোগ কমিশনের দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেল কমিশনে উপস্থাপন করা হলে কমিশন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।

কমিশনের বিশেষ তদন্ত অনুবিভাগের মাধ্যমে এই অভিযোগটি অনুসন্ধান করা হবে। শিগগিরই অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে।

অন্যদিকে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিমের অনিয়ম-দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।

দুদক জানায়, মাইক্রোক্রেডিট ও এমএলএম ব্যবসার নামে জনসাধারণের সাথে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ, বিভিন্ন ধরনের জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, আয়কর ফাঁকি, ভুয়া নাম ও পরিচয়ে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পেয়েছে দুদক।

ইতোমধ্যে কমিশনের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগ বিভিন্ন ব্যক্তি, গণমাধ্যম, ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমসহ বিভিন্ন উৎস থেকে মো. সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সংগ্রহ করে।

এসব তথ্য-উপাত্ত সংবলিত অভিযোগ দুদকের দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেল কমিশনে উপস্থাপন করলে কমিশন অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের উপপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক প্রধান করে তিন সদস্যেরে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে।

advertisement