advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাহেদের বিষয়ে নথি চেয়ে ৯ প্রতিষ্ঠানকে দুদকের চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জুলাই ২০২০ ১৯:২২ | আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২০ ২১:৩৬
রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম
advertisement

রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের দুর্নীতি অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ নয়টি প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ মঙ্গলবার অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিকের স্বাক্ষরিত এসব চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে মোহাম্মদ সাহেদ কোটি কোটি টাকার ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন’ উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চেয়ে যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর, উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএফআইইউ প্রধান, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের উত্তরা শাখার ব্যবস্থাপক, দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের বিমানবন্দর শাখা ব্যবস্থাপক, জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এবং এনবিআরের কর অঞ্চল-৯ এর উপ-কর কমিশনারের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে মাইক্রোক্রেডিট ও এমএলএম ব্যবসার নামে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে বহুমাত্রিক জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, আয়কর ফাঁকি, ভুয়া নাম ও পরিচয়ে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।

এর আগে গতকাল সোমবার মো. সাহেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি টিম গঠন করে দুদক। উপ-পরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে টিমের অপর দুই সদস্য হলেন সহকারী পরিচালক মো. নেয়ামুল হাসান গাজী ও শেখ মো. গোলাম মাওলা।

করোনাভাইরাসের পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া, সরকারের কাছে বিল দেওয়ার পর আবার রোগীর কাছ থেকেও অর্থ নেওয়াসহ রিজেন্ট হাসপাতালে নানা অনিয়মের খবর সম্প্রতি প্রকাশ্য হয়েছে র্যা বের অভিযানের মধ্য দিয়ে।

গত সপ্তাহে ওই অভিযানের পর রিজেন্টের দুটি হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে র্যাতব। ওই হাসপাতালের অনুমোদনও বাতিল করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ ঘটনায় র‌্যাবের করা মামলায় হাসপাতালের নয়জন কর্মকর্তা-কর্মচারী গ্রেপ্তার হলেও মালিক মোহাম্মদ সাহেদসহ এখনো পলাতক বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য।

advertisement