advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রিজেন্টের সাহেদ করিম প্রতারক জগতের আইডল : র‍্যাব

অনলাইন ডেস্ক
১৪ জুলাই ২০২০ ২১:০৫ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২০ ০০:৩০
রিজেন্ট হাসপাতালের পলাতক মালিক সাহেদ করিম
advertisement

রিজেন্ট হাসপাতালের পলাতক মালিক সাহেদ করিম প্রতারক জগতের আইডল। তাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে না পারার এটাই অন্যতম কারণ বলে মন্তব্য করেছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) গণমাধ্যম ও আইন শাখার পরিচালক কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

আজ মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘তার প্রতারণার ধরণ একটি অনন্য ধরণ। তবে যেকোনো সময় যেকোনো মুহূর্তে সাহেদকে আমরা গ্রেপ্তার করব।’

তিনি জানান, সাহেদ করিম সম্পর্কে নতুন নতুন অনেক অভিযোগ আসছে তাদের কাছে। সর্বশেষ অভিযোগ এসেছে, রিজেন্ট কলেজ বা রিজেন্ট ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে। অনুমোদনহীন এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তিনি জাল সার্টিফিকেট দিয়েছেন। ফলে শুধু শিক্ষার্থীদের জীবনই নষ্ট হয়নি, ব্যক্তিজীবনও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের গণমাধ্যম ও আইন শাখার পরিচালক বলেন, ‘সাহেদ করিম যেন পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য ইমিগ্রেশন পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে।’

বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাহেদ করিম যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, সেজন্য র‌্যাবসহ সব সংস্থা একযোগে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পরিচালক কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

প্রসঙ্গত, রিজেন্ট হাসপাতাল র‌্যাব বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকেই হাসপাতালটির মালিক সাহেদ করিম পলাতক রয়েছেন।

করোনাভাইরাসের ভুয়া সনদসহ নানা জালিয়াতির অভিযোগে তিনিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে।

তবে এরপর থেকেই প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সাহেদ করিমের ছবি এবং টেলিভিশন টকশোগুলোতে তার নিয়মিত উপস্থিতির বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার ওঠে।

আশিক বিল্লাহর কাছে একজন সাংবাদিক জানতে চেয়েছিলেন যে, রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীরা, যারা তার পৃষ্ঠপোষকতা করতে তাদের বিষয়ে কোনো তথ্য আছে কি না?

জবাবে তিনি বলেন, ‘কারও সঙ্গে ছবি থাকা মানে এই নয় যে, তিনি পৃষ্ঠপোষক। গুরুত্বপূর্ণ বা দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সৌজন্যবশত ছবি তোলেন। তবে কেউ পৃষ্ঠপোষকতা করলে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশ্চয়ই খতিয়ে দেখবেন।’

সাহেদ করিম তার সঙ্গে যেসব গানম্যান নিয়ে চলাফেরা করতেন, সে টিমে যারা অস্ত্র ব্যবহার করতেন, তাদের সম্পর্কেও অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

আশিক বিল্লাহ বলছেন, সাহেদ কমির চেক জালিয়াতির ক্ষেত্রে অনন্য পন্থা অনুসরণ করেছিলেন।

‘এটি অভিজ্ঞ ব্যাংক কর্মকর্তাদেরও বিস্মিত করেছে। তিনি একাধিক চেকে একাধিক ধরণের স্বাক্ষর দিয়েছেন। উনি বৈধ চেকে অবৈধ স্বাক্ষর করতেন। ফলে পাওনাদাররা যেসব চেক পেয়েছে সব চেক ডিজঅনার হয়েছে।’

এ পর্যন্ত সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে ৫০টির বেশি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে এবং সব মামলাই প্রতারণার-এ তথ্য জানিয়ে র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার দায়িত্বে থাকা আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ার জন্যে ভুক্তভোগী মানুষরাই এগিয়ে আসছে।’

advertisement