advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অবশেষে সাহেদ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ জুলাই ২০২০ ০৭:৫৩ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২০ ১১:২০
রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তাকে র‍্যাবের আভিযানিক দলের সঙ্গে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় আনা হচ্ছে।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং’র সহকারী পরিচালক এএসপি সুজয় সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান পলাতক আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এএসপি সুজয় সরকার জানান, সাহেদকে সাতক্ষীরা থেকে র‍্যাবের আভিযানিক দলের সঙ্গে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় আনা হচ্ছে। আজ সকালে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে।

এরপর ৭ জুলাই রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় প্রতারণার অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে এক নম্বর আসামি করে ১৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়। তাদের মধ্যে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন থেকেই সাহেদ পলাতক ছিলেন।

এদিকে, ৭ জুলাই বিকেলে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক চুক্তি (এমওইউ) বাতিলসহ অবিলম্বে হাসপাতালটির সব কার্যক্রম বাতিল এবং সিলগালা করার নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। রিজেন্ট হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযান, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দেশ ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, হাসপাতালটি করোনার নমুনা পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করত। সরকারের সঙ্গে হাসপাতালটির চুক্তি ছিল ভর্তি রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেবে। সরকার এই ব্যয় বহন করবে। কিন্তু তারা রোগীপ্রতি লাখ টাকার বেশি বিল আদায় করেছে। এ ছাড়া রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিয়েছে এই মর্মে সরকারের কাছে এক কোটি ৯৬ লাখ টাকার বেশি বিল জমা দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

advertisement