advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আগাম বন্যায় কৃষকের ক্ষতি প্রায় ৫০০ কোটি টাকা

১৫ জুলাই ২০২০ ১১:০৭
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২০ ১১:০৭
advertisement

অতিবৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদনদীর পানি উপচে সৃষ্ট বন্যায় এরই মধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলের চৌদ্দ জেলায় ৪৩ হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। আউশ আমনসহ বিভিন্ন ফসলের এই ক্ষতির পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৮৬ টন। এতে অন্তত তিন লাখ কৃষকের ক্ষতি হয়েছে ৪৯৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত বন্যায় রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, সিলেট, সুনামগঞ্জ, জামালপুর, নেত্রকোনা, রাজশাহী, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর ও টাঙ্গাইলে বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আউশ, আমনের বীজতলা, গ্রীষ্মকালীন সবজি, ভুট্টা, চিনাবাদাম, তিল, মরিচ, পাট, কলা ও আখ। এসব ফসলের অর্জিত জমির পরিমাণ ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮৬ হেক্টর। এর মধ্যে আক্রান্ত জমির পরিমাণ ৭৬ হাজার ২১০ হেক্টর। সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ৩২ হাজার ১২৪ হেক্টর, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৪৪ হাজার ৬৮ হেক্টর। আংশিক ক্ষতির শতকরা হার ২৭ শতাংশ। তবে আংশিক ক্ষতির ১১ হাজার ৬৯৪ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ ক্ষতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে মোট ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ৮১৮ হেক্টর, যা মোট ফসলি জমির ৮ শতাংশ। টাকার অংকে এই ক্ষতির পরিমাণ ৪৯৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা আর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৭ জন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মুঈদ বলেন, ‘আমরা এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পুনর্বাসন কার্যক্রম ও আমনের বীজতলা করব। প্রান্তিক কৃষককে এক বিঘা জমিতে চাষ করার মতো বীজ বা চারা দেওয়া হবে। প্রত্যেকবারের মতো এবারও ভাসামান বীজতলা তৈরির কাজ চলছে। এভাবেই আমরা এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করব।
এর আগে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে দেশের ৪৩ জেলায় আম, লিচু ও ধানসহ ২০টি ফসলের ৬৭১ কোটি ৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাড়ে ৮ লাখ কৃষকের ২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭ হেক্টর জমির ফসল। এর পরও দুর্যোগ থেমে থাকেনি। জুনের প্রথম দিকে পাহাড়ি ঢল-ঝড়-শিলাবৃষ্টি প্রায় ১০ কোটি টাকার ফসল কেড়ে নেয়।

advertisement