advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কয়েকছত্র

১৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২০ ২৩:১০
advertisement

কংগ্রেসেই শচীন

ভারতের রাজস্থানে কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট গতকাল বুধবার স্পষ্ট করেছেন যে তিনি কংগ্রেসেই থাকছেন। এর মধ্য দিয়ে রাজস্থান সরকারের যে সংকট দেখা দিয়েছিল তা আপাতত কাটছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার শচীনের উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ কেড়ে নেওয়া হয়। এ ছাড়া দলের সভাপতির পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়। শচীন তার অনুগামীদের নিয়ে দিল্লির কাছে এক রিসোর্টে অবস্থান নেন। শঙ্কা ছিলÑ দলবল নিয়ে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন। কিন্তু তা করেননি। গতকাল এনডিটিভিকে এক সাক্ষাৎকার দেন। তাতে বলেন, দল ছাড়ার কোনো ইচ্ছাই তার নেই। বিজেপিতেও যোগ দিচ্ছেন না। কংগ্রেসেই রয়েছেন। সেই সাক্ষাৎকারে শচীন ক্ষোভ ঝাড়েন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বিরুদ্ধে। এদিকে শচীনের সঙ্গে বেশি বিধায়ক নেই টের পাওয়ার পর বিজেপিও আস্থা ভোটের দাবি আর তুলছে না। এনডিটিভি।

২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত

২৯ হাজারের বেশি

ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দেশটিতে নতুন করে আরও ২৯ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ হাজার ৪২৯। এতে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ১৮১ জন। প্রথমবারের মতো দেশটিতে একদিনেই ২৯ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হলো। দেশটিতে গত কয়েক দিনে একের পর এক সংক্রমণের রেকর্ড ভাঙছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৫৮২ জন। ফলে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৪ হাজার ৩০৯ জনের। ইতোমধ্যে দেশটিতে প্রায় ৬ লাখ রোগী করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে। এনডিটিভি

ভূমিধসে প্রাণহানি ১৬

ইন্দোনেশিয়ায় হড়কা বান ও ভূমিধসে অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া শত শত লোক বাস্তুহারা হয়েছেন। দেশটির সুলাওয়েসি দ্বীপের দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের একটি জেলায় এসব দুর্যোগ ঘটেছে বলে গতকাল বুধবার দেশটির দুর্যোগ প্রশমণ সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সংস্থাটির মুখপাত্র রাদিতিয়া জাতি জানান, উত্তর লুয়ু জেলায় হড়কা বান আঘাত হানার পর থেকে ২৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন, উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা তাদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। রয়টার্স

দুর্যোগ প্রশমণ সংস্থা এবং তল্লাশি ও উদ্ধার সংস্থার স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, ভারী বৃষ্টিপাতে বেশ কয়েক দিন ধরে নিকটবর্তী তিনটি নদীতে প্লাবন দেখা দিয়েছিল, তখন ৬৫৫ জন লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়। নির্দিষ্টভাবে বর্ষাকালে ইন্দোনেশিয়া ঘন ঘন বন্যা ও ভূমিধসের মতো দুর্যোগের শিকার হয়।

advertisement
Evaly
advertisement