advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রশ্রয়েই ওদের উত্থান

আবু আলম মো. শহিদ খান সাবেক সচিব
১৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২০ ২৩:২১
advertisement

স্থানীয় সরকার বিভাগের সাবেক সচিব আবুল আলম মো. শহিদ খান বলেন, সরকার ও দলের সঙ্গে কীভাবে সাহেদ-সাবরিনাদের এত ঘনিষ্ঠতা, তা খুঁজে বের করতে হবে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেই। তারা সচেষ্ট হলেই এসব প্রতারকের উত্থানের রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে সাধারণ নাগরিকের

মতো আমারও বিশ^াস। তিনি বলেন, সরকারের বড় বড় কর্মকর্তার সঙ্গে যখন দেখছি সাহেদের মতো একজন অশিক্ষিত লোকের অন্তরঙ্গ সম্পর্ক, তখন সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে আমি নিজেই লজ্জিত, বিব্রত। কীভাবে সাহেদ বঙ্গভবনে যায়, গণভবনে ঢোকে? কারা তাকে সেখানে ঢুকতে সাহায্য করল, তাদের খুঁজে বের করতে হবে। কারণ বঙ্গভবন ও গণভবনে যে কেউ চাইলেই ঢুকতে পারে না। এসব জায়গায় ঢুকতে হলে গোয়েন্দা সংস্থার নিরাপত্তা ছাড়পত্র লাগে। এরকম এক প্রতারক কীভাবে নিরাপত্তা ছাড়পত্র পেল তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং ভবিষ্যতে এসব প্রতারকের বিষয়ে কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। কারণ দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সেনাবাহিনীপ্রধানের সঙ্গে ছবি তুলতে পারলে প্রতারকদের জন্য সুবিধা হয়। সাহেদ সেসব সুবিধা নিয়েছে। এমনকি সে দেশের বড় টেলিভিশনগুলোয় টকশোতে গিয়েও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছবক দিয়েছেÑ এটি আমাদের জন্য খুবই লজ্জার বিষয়।

সাবেক এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০১৬ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নথিতে সাহেদকে ভয়ঙ্কর প্রতারক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। তার পরও সাহেদ ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কোথায় বাধা ছিল, সেরহস্য বের করতে হবে। কারা তাকে প্রশ্রয় দিল, তা বের করতে হবে। কারণ কারও না কারও আশ্রয়-প্রশ্রয়েই সাহেদ-সাবরিনাদের উত্থান হচ্ছে। এসব প্রতারকের উত্থানরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে বলেও মনে করেন সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহিদ খান।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ইউসুফ আরেফিন

advertisement