advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নেতিবাচক তথ্য আসা অনলাইন পোর্টাল বন্ধ হবে - তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২০ ০০:২৫
advertisement

যেসব অনলাইন নিউজ পোর্টালের নামে নেতিবাচক তদন্ত প্রতিবেদন এসেছে সেসব প্রয়োজনে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি অনলাইন পোর্টালগুলোর ব্যাপারে। একটি সংস্থার পক্ষ থেকে প্রায় এক হাজার ৭০০শর মতো তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছি। আরেকটি সংস্থা থেকে একশর মতো তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এ মাসের মধ্যে আরও দেড়শ কিংবা এর চেয়ে বেশি তদন্ত প্রতিবেদন পাব। সেই তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে আমরা এ মাসেই রেজিস্ট্রেশন দেওয়া শুরু করব। যেসব অনলাইনের ব্যাপারে নেতিবাচক প্রতিবেদন এসেছে সেগুলো আরেকটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমরা দক্ষেপ নেব, প্রয়োজনে সেগুলো

বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

অনলাইন নিউজের নামে যেসব পোর্টাল গুজব ছড়ায় তার অনেকগুলোকেই চিহ্নত করা হয়েছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এসব পোর্টাল আবার ক্ষণে ক্ষণে পরিচয় পরিবর্তন করে। অনেক সময় বিদেশ থেকেও অনেকে এগুলো পরিচালনা করেন। সেগুলোর ব্যাপারে প্রযুক্তিগত কিছু পদক্ষেপ মাঝে মাঝে নেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে আরও দৃঢ়ভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে অর্থাৎ রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে যে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে গুজব ছড়াবে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইনগুলোর ব্যাপারে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছিল। সেগুলোর তদন্ত প্রতিবেদন আসছে বা আসবে। কিন্তু ভবিষ্যতেও তো অনলাইন হবে। ভবিষ্যতে অনলাইন পোর্টাল চালু করতে হলে আবেদন করতে হবে, সেগুলোর ব্যাপারে তদন্ত হওয়ার পর চালু করতে হবে। যে কেউ দুই-তিনজন নিয়ে বসে একটা অনলাইন নিউজ পোর্টাল খুলে বসবে, এটা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। আগামীতে আবেদনের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ছাড়পত্র দিলে তবেই তারা ডোমেইন বরাদ্দ পাবে।’

করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ সাহেদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সাহেদের দুর্নীতি উদ্ঘাটন করেছে সরকারই। শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে বিএনপি যে ক্রমাগত অবান্তর কথা বলে সেটার ধারাবাহিকতায় সাহেদ নিয়েও তারা নানা অবান্তর কথা বলেছে। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টরারেন্সে আছেন।’

advertisement