advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিবৃতি দিয়ে অভিযোগ হাসপাতালে
চিকিৎসা মিলছে না মুক্তিযোদ্ধাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২০ ০০:২৫
advertisement

নিজেদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে গতকাল বুধবার বিবৃতি দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক নেতাদের অভিযোগ, করোনাকালে অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধাই চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এখন শেষ বয়সে চিকিৎসা না পেলে মুক্তিযোদ্ধারা যাবেন কোথায়? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তাদের স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পাশাপাশি সব জেলায় এ বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা চান তারা। বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারি হাসপাতালে

মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চিকিৎসাব্যবস্থা উন্মুক্ত। তার পরও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ২০১৮ সালে ঢাকার ১৪টি বিশেষায়িতসহ জেলা উপজেলার ৪৯৭টি হাসপাতালে প্রায় ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ ছাড়া বারডেম হাসপাতালকে দেওয়া হয় ১ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে। এর পরও কোনো হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে এরই মধ্যে বিনাচিকিৎসা চিরবিদায় নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র-সমর্পণকারী মুক্তিযোদ্ধা মো. আলমাছ উদ্দিন, তেজগাঁওয়ের সাবেক কমান্ডার আবুল খায়ের, শেরেবাংলা নগর থানার সাবেক কমান্ডার রহমত আলী, বাড্ডার সাবেক কমান্ডার আবদুস ছোবান, বরিশালের খালেকুজ্জামান ফারুক, চাঁদপুরের কালী নারায়ণ লোদসহ আরও অনেকেই।

বিএলএফ মুজিব বাহিনীর যুদ্ধকালীন থানা কমান্ডার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবদুল হাই, এমএ রশীদ, সৈয়দ সামছুল কাউনাইন কুতুব, মমিনুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব শরীফ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাহাড়ি বীরপ্রতীক, মাহমুদ পারভেজ জুয়েল মোশারফ হোসেন, ফরিদপুরের সাবেক কমান্ডার মো. আবুল ফয়েজ চট্টগ্রামের সাবেক কমান্ডার শাহাবুদ্দিন, নোয়াখালীর সাবেক কমান্ডার মোজ্জামেল হক মিলন, মিজানুর রহমান, টাঙ্গাইলের সাবেক কমান্ডার কাজী আশরাফ হুমায়ুন বাংগাল, সাবেক নির্বাচিত জেলা কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীক, দিনাজপুরের সাবেক কমান্ডার মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, সিলেটের সাবেক কমান্ডার শুভব্রত চক্রবর্তী জুয়েল, নরসিংদীর সাবেক কমান্ডার আবদুল মোতালেব পাঠান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক কমান্ডার মো. হারুনুর রশিদ, নেত্রকোনার সাবেক কমান্ডার নুরুল আমিনসহ সারাদেশের প্রায় ৫০ মুক্তিযোদ্ধা বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন।

advertisement