advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম ‘বিপর্যয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক
১ আগস্ট ২০২০ ২৩:৩৬ | আপডেট: ২ আগস্ট ২০২০ ১১:০২
পুরোনো ছবি
advertisement

এবার রাজধানীতে কোরবানির গরুর চামড়া আকারভেদে ১৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ছাগলের চামড়ার দাম ২ থেকে ১০ টাকা। কিন্তু কয়েক বছর আগেও একটি কোরবানির গরুর চামড়া ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা, এমনকি ৩ হাজার টাকাও ছাড়িয়ে যেত।

ঢাকার জিগাতলা ট্যানারি মোড় ও পোস্তার আড়তে আজ শনিবার দুপুর থেকে বিকেলে ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়। সব জায়গাতেই সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক কমে বিক্রি হচ্ছিল কোরবানির পশুর চামড়া।

আজিমপুর থেকে পোস্তায় ঢোকার মুখে সড়কের পাশে বসে চামড়া কিনছিলেন শফিকুর রহমান। তিনি বললেন, বড় গরুর চামড়া ৫০০-৬০০ ও মাঝারি গরুর চামড়া ৩০০-৩৫০ টাকায় কিনেছেন। আর ৪ পিছ ছাগলের চামড়া কিনেছেন ১০ টাকায়। দামের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘মোটামুটি কমই।’

ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪০০-৫০০ টাকায় গরুর চামড়া কিনে পিকআপে করে পোস্তায় নিয়ে যাচ্ছিলেন হাজি শের মোহাম্মদ। তিনি বললেন, বড় গরুর চামড়া ৪০০-৬০০ টাকায় এবং ছোট ও মাঝারি গরুর চামড়া ১৫০-২৫০ টাকায় কিনেছেন।

এদিকে বড় আকারের গরুর চামড়া গড়ে ৩৫-৪০ বর্গফুট, মাঝারি আকারের গরুর চামড়া গড়ে ২৫-৩০ এবং ছোট আকারের গরুর চামড়া গড়ে ১৬-২০ বর্গফুটের হয়। তাতে সরকারের নির্ধারিত দাম হিসাব করলে বড় চামড়া কমপক্ষে দেড় হাজার টাকা, মাঝারি চামড়া হাজার টাকা ও ছোট চামড়ার দাম হয় কমপক্ষে ৬০০ টাকা।

তবে চামড়ার কম দামের কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আফতাব খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কাঁচা চামড়া যে দামে বিক্রি হচ্ছে তা ঠিকই আছে। কারণ প্রতি বর্গফুট চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে আট টাকা খরচ হয়। তা ছাড়া আড়তদারেরা নগদ অর্থের সংকটে আছেন। বেশির ভাগ ট্যানারির মালিক আড়তদারদের বকেয়া পরিশোধ করেননি।’

প্রসঙ্গত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে চামড়াশিল্পের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে। ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ধরা হয়েছে। আর ঢাকার বাইরে ধরা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ২৮ থেকে ৩২ টাকা। এ ছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়া গত বছরের প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৩ থেকে ১৫ টাকা করা হয়। আবার দরপতন ঠেকাতে ২৯ জুলাই কাঁচা ও ওয়েট-ব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

advertisement