advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গরুর মাংস পরিবহনের সন্দেহে হাতুড়ি দিয়ে যুবককে পিটুনি

অনলাইন ডেস্ক
২ আগস্ট ২০২০ ০৯:৫৬ | আপডেট: ২ আগস্ট ২০২০ ১৪:৪১
ছবি : সংগৃহীত
advertisement

ভারতের রাজধানী দিল্লি লাগোয়া গুরগাঁওতে লুকমান খান নামের এক যুবককে গরুর মাংস পরিবহনের অভিযোগে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পেশায় ট্রাকচালক ওই যুবকের মাথার খুলি ফেটে গেছে। তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল হলেও সঙ্কট পুরোপুরি কাটেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

সম্প্রতি ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক যুবককে অন্য কয়েকজন মাটিতে ফেলে মারছে। এরই মধ্যে একজন হাতুড়ি দিয়ে তার মাথা আর হাঁটুতে মারছে।

ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির থাকলেও তারা কাউকে বাধা দিচ্ছে না। পরে অবশ্য একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটা সময়ে নিয়মিতই গরুর মাংস পরিবহন করার অভিযোগ তুলে বা বাজার থেকে গরু কিনে নিয়ে যাওয়ার সময়ে গণপিটুনির ঘটনা ঘটছিল। গত শুক্রবার আবারও সে রকমই একটা ঘটনা ঘটেছে গুরগাঁওতে।

পিটুনির শিকার লুকমান খান পুলিশকে জানিয়েছেন, একটি ট্রাফিক সিগন্যাল থেকে তাকে কয়েকজন যুবক মোটরসাইকেলে তাড়া করে এবং একটা সময়ে তার ট্রাকটি থামিয়ে কাঁচ ভেঙ্গে দেয়। তাদের সন্দেহ ছিল, ওই ট্রাকে গরুর মাংস নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং এই অভিযোগে তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়।

এদিকে, লুকমান যার কাছে মাংস নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই বাজার কমিটির প্রেসিডেন্ট তাহির সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ওটা মহিষের মাংস ছিল এবং তিনি এই কারবার করছেন গত ৫০ বছর ধরে।

যে বাদশাপুর এলাকায় গণপিটুনির এই ঘটনা ঘটেছে, সেখানকার সহকারী পুলিশ কমিশনার প্রীত পাল সাঙ্গওয়ান বিবিসিকে জানিয়েছেন, ‘অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গে্রপ্তারে অভিযান চলছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখেই আমরা অভিযুক্তদের চিহ্নিত করছি।’

ঘটনার সময়ে পুলিশ থাকলেও বাধা না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে প্রীত পাল সাঙ্গওয়ান বলেন, ‘৬০ -৭০ জনের একটা মারমুখী ভিড় সেখানে ছিল, অন্যদিকে পুলিশকর্মী ছিল মাত্র তিনজন। তাদের পক্ষে ওই মারমুখী ভিড় সামলানো সম্ভব হয়নি। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই থানার ওসিসহ বড় পুলিশ দল সেখানে যায়। তারাই লুকমানকে উদ্ধার করে আর ওই মাংসটা আসলে কিসের- গরু না মহিষের তা পরীক্ষা করতে পাঠায়।’

advertisement