advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাউফলে আ.লীগের সংঘর্ষ
দুইজন নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১১ জন

বাউফল প্রতিনিধি
৫ আগস্ট ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ আগস্ট ২০২০ ০০:৩৭
advertisement

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এমপি সমর্থক দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় যুবলীগ নেতা রাকিব উদ্দিন রোমান ও ছাত্রলীগ নেতা ইশাত তালুকদার নিহত হন। গত রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার অতঙ্কে এলাকা পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, স্থানীয় সাংসদ সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ সমর্থিত কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সালাউদ্দিন পিকু ও সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভলুর মধ্যে স্থানীয় প্রভাব বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ৩১ জুলাই দুপুর বারোটার দিকে সাধারণ সম্পাদক সমর্থক যুবলীগ নেতা রফিকুলকে মারধর করে সভাপতি সমর্থক ইউপি সদস্য যুবলীগ নেতা সুজন তালুকদার ও তার কর্মীরা। রফিকুলকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর জেরে ওই দিনই রফিকুলের অনুসারীরা দুপুর দুটার দিকে সভাপতি সমর্থক কর্মীদের ওপর হামলা করে। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা বশির ও ইব্রাহিমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে রবিবার সন্ধ্যায় রফিকুল কেশবপুর বাজারে যান। সেখানে যুবলীগকর্মী রাকিব উদ্দিন রোমান ও ইশাত তালুকদাদের সঙ্গে বিরোধে জড়ান তিনি। এ সময় উভয়পক্ষ লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এতে সালাউদ্দিন পিকুর ভাই যুবলীগ নেতা রাকিব উদ্দিন রোমান ও চাচাতো ভাই ইশাত তালুকদারসহ ৬ জন আহত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আখতারুজ্জান জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই নিশাতের মৃত্যু হয়। আর রাত ৯টার দিকে রাকিবকে নিয়ে এলে কুড়ি মিনিট পরই তার মৃত্যু হয়। তাদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের কোপ ও লাঠির আঘাত রয়েছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় সোমবার বিকাল পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

advertisement
Evaly
advertisement