advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সব খবর

advertisement

অদ্ভুত সব বিশ্বরেকর্ড

শামস বিশ্বাস
৬ আগস্ট ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ আগস্ট ২০২০ ২৩:১৭
advertisement

এই বিশ্বে অনেক মানুষ রয়েছেন, যারা অদ্ভুত সব কা- করে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নিজের নাম লিখিয়েছেন।

কেউ কেউ আগের রেকর্ড ভেঙে নিজের নামের পাশে নতুন রেকর্ড লিখিয়ে থাকেন। দেখে নেওয়া যাক সেই

সব ঘটনার কয়েকটি জানাচ্ছেন শামস বিশ্বাস

বাঘা বাঘা গোলকিপার না পারলেও গোলকিপারের ভূমিকায় কুকুর সেই বিরল কাজটি করে দেখিয়েছে! ২০১৬ সালে বিশ্বয়কর এ কাজটি করে পুরিন নামের এক কুকুর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তার নাম লেখায়। পুরিন তার মালিকের সঙ্গে জাপানের টোকিও শহরের মাকোতো কুমাগাই এলাকায় বসবাস করে। মাত্র ১ মিনিটে ১৪টি গোল আটকাতে সক্ষম হয়েছিল পুরিন। সেই থেকে সবচেয়ে বেশি গোল আটকানোর রেকর্ডটিও পুরিনের ঝুলিতে।

গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে এখন সবচেয়ে বড় নখের অধিকারিণী আয়ান্না উইলিয়ামস। তার নখের দৈর্ঘ্য মাপা হয়েছে ৫ দশমিক ৭৬ মিটার। আগে এই রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন লি রেমন্ড। তাকে সরিয়ে রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন উইলিয়ামস।

মাথা দিয়ে ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে বেশি সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠা বিশ্ব রেকর্ড চীনের নাগরিক লি লং লংয়ের। চীনের জিয়ানসু প্রদেশের জিয়াগিং শহরে ২০১৫ সালে অদ্ভুত এই রেকর্ডটি গড়েছিলেন তিনি। তার এই মাথা দিয়ে সিঁড়ি ভাঙার রেকর্ডটি সরাসরি প্রচার করেছিল চীনের টেলিভিশন সিসিটিভি। ভিডিওটিতে দেখা যায়, লি মাথায় ভর করে নিচ থেকে ধারাবাহিকভাবে ৩৬ সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠেন। লি তার আগের রেকর্ড (৩৪টি সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠা) ভেঙে ২০১৬ সালের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নতুন করে নাম লেখান।

বিশ্বের শক্তিশালী নারীর তকমা রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের লিন্সি লিন্ডবার্গের নামে। তিনি ১ মিনিটের মধ্যে সব থেকে বেশি টেলিফোন ডিরেক্টরি ছিঁড়ে ফেলার রেকর্ডের মালিক। ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর তিনি ১ মিনিটের মধ্যে হাজার পাতার ৫ টেলিফোন ডিরেক্টরি ছিঁড়ে ফেলে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নিজের নাম লিখিয়েছেন। এর আগে লিন্সি অভিজ্ঞতার ঝুলিতে যোগ করেছিলেন বাহুতে আপেল রেখে ভাঙা ও কম সময়ে ফ্রাইপেন বাঁকা করার রেকর্ডও।

অস্ট্রিয়ার জোসেফ টডলিংয়ের যেভাবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে তার নাম লিখিয়েছেনÑ শুনতেই গা শিহরে উঠবে। এই ভদ্রলোক নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে ঘোড়া দিয়ে টানার রেকর্ড করেছেন। ২০১৫ সালের ২৭ জুন জোসেফ টডলিং এ রেকর্ডটি করেছিলেন।

সব থেকে লম্বা তলোয়ার গিলে ফেলার রেকর্ডের মালিক মার্কিন নাতাশা বেরুস্কার। ২০০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৫৮ সেন্টিমিটার লম্বা তালোয়ার গিলে বের করে এ রেকর্ডটি তিনি করেন।

আপনি মুখের ভেতর কয়টি স্ট্র ধরে রাখতে পারবেন? একটি, দুটি, তিনটি? যুক্তরাজ্যের সাইমন এলমোর ৪০০ স্ট্র একসঙ্গে মুখে রাখার রেকর্ড রয়েছে। ২০০৯ সালের ৬ আগস্ট জার্মানিতে সাইমন ৪০০ স্ট্র ১০ সেকেন্ড পর্যন্ত মুখে রাখার অদ্ভুত রেকর্ডটি গড়েন।

সাধারণত তরুণরা বডি বিল্ডিং করে থাকে। কিন্তু বৃদ্ধ বয়সেও যে বডি বিল্ডিং করা যায় সেটাই করে দেখিয়েছেন জিম অ্যারিংটন। বৃদ্ধ বয়সেই ব্যায়াম শুরু করেছেন তিনি। আর ব্যায়াম করতে করতে বডিও তৈরি করেছেন দারুণভাবে। আর ৮৫ বছর ৬ দিন বয়সে পেশাদার বডি বিল্ডার বনে রেকর্ড বুকে নিজের নাম লিখিয়েছেন জিম অ্যারিংটন। গিনেজ বুকে সবচেয়ে বৃদ্ধ বডি বিল্ডারের রেকর্ডটির পাশে এখন জ্বলজ্বল করছে তার নাম।

মাত্র ৩ মিনিটে ১২টি হ্যামবার্গার সাবাড় করে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম লিখিয়েছেন জাপানের তেকেরু কুবেইশি। তার সাবাড় করা প্রতিটি হ্যামবার্গারের ওজন ছিল ৫০ গ্রাম। শুধু তা-ই নয়, কুবেইশি প্রতিটি বার্গারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য সঙ্গে মায়োনিসও বেছে নেন।

ভারতের চেন্নাইয়ের তামিলনাড়–র টুক টুক অটো ড্রাইভার জগদীশ। দিনে যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করলেও রাত হলেই জগদীশ অটো নিয়ে বিপজ্জনক সব অনুশীলনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। জগদীশ গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকের ‘আব ইন্ডিয়া তোরেগা’ নামের ‘রিয়েলিটি শো’তে হাজির হয়েছিলেন। জগদীশ মুম্বাইয়ের জুহুর বিমানঘাঁটি এলাকায় সবচেয়ে বেশি সময় অটো কাত করে চলার রেকর্ডও গড়েন। ‘রিয়েলিটি শো’র শর্ত ছিল, দুই চাকার অটো কাত করে কমপক্ষে এক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা। জগদীশ সেই লক্ষ্য ভেদ করে ২ দশমিক ২ কিলোমিটার পথ অটো কাত করে রিয়েলিটি শোতে তাক লাগিয়ে দেন। সে সময় তার অটোরিকশার বেগ ছিল প্রায় ৮০ কিলোমিটার। ভিডিও ফুটেজটিতে তিনি গিনেস বুকের অতীতের ভয়ঙ্কর চালকের রেকর্ড ভেঙে ২০১৬ সালের নতুন রেকর্ড করেন।

ঊরু দিয়ে কম সময়ে সবচেয়ে বেশি তরমুজ ভাঙার রেকর্ডের মালিক ওলগা লিয়াশচুক। মাত্র ১৪ দশমিক ৬৫ সেকেন্ডে তিনি ভেঙেছেন আস্ত তিনটি তরমুজ। ইতালির মিলান শহরের মেডিয়েস্ট স্টুডিওসে ইউক্রেনের শক্তিশালী এ নারী রেকর্ডটি গড়েন। এর আগে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকের এক প্রতিযোগিতায় অল্পের জন্য শক্তিশালী নারীর খেতাব অর্জন করতে পারেননি। সে সময় ওলগা লিয়াশচুক নয়টি তরমুজ ভাঙতে পেরেছিলেন।

advertisement
Evaly
advertisement