advertisement
advertisement

মেজর সিনহা হত্যা
ওসি প্রদীপসহ ৭ পুলিশ কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক,কক্সবাজার
৬ আগস্ট ২০২০ ১৯:৩৮ | আপডেট: ৬ আগস্ট ২০২০ ২১:০০
কড়া নিরাপত্তায় ওসি প্রদীপকে কক্সবাজারে আনা হয়। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার প্রত্যাহার হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ১৪ ঘণ্টা পর এই পুলিশ সদস্যরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে কক্সবাজার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হয়ে তারা আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাদের কারাগের পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার পর কড়া প্রহরায় তাদের জেলহাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছেন, টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত হোসেন, উপ-পরিদর্শক নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই  লিটন মিয়া। তবে এ মামলার অপর দুই আসামি এএসআই টুটুল, ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেননি।

গত ৩১ জুলাই খুন হওয়ার পর মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে ওসি প্রদীপ, লিয়াকতসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে টেকনাফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গতকাল বুধবার মামলাটি দায়ের করেন।

টেকনাফে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ মতে টেকনাফ মডেল থানা বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ মামলাটি রুজু করে। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। আর এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ১৪ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের দামপাড়া পুলিশ লাইন হাসপাতাল থেকে পুলিশের কাছে ধরা দিয়ে আত্মসমর্পণ করার কথা জানান টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

আজ দুপুর ২টায় প্রদীপ কুমারকে পুলিশ প্রহরায় কক্সবাজারে নিয়ে আসা হয়। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দিকে প্রদীপ কুমারকে বহনকারী পুলিশের গাড়িগুলো কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছে। এ সড়কের দুই পাশে শত শত উৎসুক জনতা প্রদীপ কুমারকে দেখতে ভিড় জমায়।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মামলার প্রধান আসামি ইন্সপেক্টর লিয়াকতসহ ছয় পুলিশ সদস্য আদালতে হাজির হন।

পরে প্রদীপ কুমারসহ সাত আসামি টেকনাফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হেলাল উদ্দিন আত্মসমর্পণকারীদের জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর র‌্যাবের পক্ষ থেকে রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার রাতে কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া পুলিশ চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ।

advertisement
Evaly
advertisement