advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২৪ ঘণ্টায় রিপোর্ট পাওয়া যাবে
রাঙামাটিতে হলো পাহাড়ের প্রথম পিসিআর ল্যাব

রাঙামাটি প্রতিনিধি
৭ আগস্ট ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ আগস্ট ২০২০ ২৩:১৮
advertisement

কোভিড-১৯ করোনা শনাক্তে যুক্ত হলো পাহাড়ি জেলা রাঙামাটির নাম। চূড়ান্ত করা দিনক্ষণ থেকে প্রায় দুই সপ্তাহ দেরিতে পিসিআর (পলিমার চেইন রিঅ্যাকশন) ল্যাবের যাত্রা শুরু হয়েছে। পার্বত্যাঞ্চলে প্রথম স্থাপন করা এ ল্যাবে দৈনিক ২০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে। দিনে দিনেই মিলবে রিপোর্টও। ফলে জনভোগান্তির সঙ্গে কমে আসবে মৃত্যু ও সংক্রমণের হারও।

রাঙামাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ল্যাব উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান সিনিয়র সচিব পবন চৌধুরী।

রাঙামাটি সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা বলেন, ‘রাঙামাটির পিসিআর ল্যাবে পার্শ্ববর্তী জেলা খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের রোগীদের নমুনা পরীক্ষা হবে কিনা এ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নির্দেশনা পেলে এবং প্রয়োজনীয় কিট সরবরাহ করা হলে বাকি দুই জেলার রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।

পাহাড়বাসীর জন্য আশা জাগানিয়া এই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন হচ্ছে বেসরকারি সহায়তায়। পিসিআর ল্যাবের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য গত ২৬ জুন শিল্প পরিবার ‘বসুন্ধরা গ্রুপ’ ৬৯ লাখ টাকা অনুদান দেয় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে।

গত ২৫ জুলাই এই ল্যাব উদ্বোধনের সম্ভাব্য দিনক্ষণ ঠিক করা হয়। কিন্তু ল্যাবের বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য কাজ করতে গিয়ে ১৪ জুলাই দুই শ্রমিকের বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যু ও ল্যাবের লোকবল নিয়োগে জটিলতা তৈরি হওয়ায় যাত্রা শুরু করতে দেরি হয়। তবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুরোদমে ল্যাবের কাজ শুরু করার আশা করছেন কর্তৃপক্ষ।

ল্যাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ, পুলিশ সুপার আলমগীর কবির, সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা। এ ছাড়া রাঙামাটি মেডিক্যাল

কলেজের প্রকল্প পরিচালক ডা. শহীদ তালুকদার, রাঙামাটি সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বিনোদ শেখর চাকমা, রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আরএমও শওকত আকবর এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকাল ১০টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলার করোনার সার্বিক অবস্থা নিয়ে জেলার গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করেন পবন চৌধুরী। সভা শেষে রাঙামাটি সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসার হাতে একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্সের চাবি তুলে দেন তিনি। রাঙামাটি জেলায় করোনা রোগী পরিবহনের জন্য ‘সামুদা ফুডস প্রোডাক্টস লিমিটেড’ এটি দিয়েছে।

‘দুই শিফটটে কাজ করা হলে এ ল্যাবে প্রতিদিন ২০০ নমুনা পরীক্ষা করা যাবে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যাবে’ বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা।

advertisement
Evaly
advertisement