advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব একটি চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ আগস্ট ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৭ আগস্ট ২০২০ ২২:২৩
advertisement

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিপ্লব। যেখানে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনের সঙ্গে একান্ত সঙ্গী হয়ে যাবে প্রযুক্তি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জকে আমরা একটি সম্ভাবনায় পরিণত করতে চাই। গতকাল কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত ‘চর্তুর্থ শিল্প বিপ্লবের

সফল অংশীদার হতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব’ শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, এই শিল্প বিপ্লবের ফলে গতানুগতিক অনেক চাকরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আবার চাকরির ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। এজন্য আমাদের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। আর এ লক্ষ্যে ২০৫০ সালের মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সেমিনারে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জনশক্তিকে প্রয়োজনে রি-স্কিলিং ও আপ-স্কিলিং করার প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য আমরা বিভিন্ন রকম শর্ট কোর্স চালু করতে যাচ্ছি। সবার জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে সরকার।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে আয় বৈষম্য তৈরি হবে। কিছু লোক অল্প সময়ে প্রযুক্তিগত দক্ষতার কারণে অনেক বেশি আয় করবে, অন্যদিকে কিছু লোক দীর্ঘসময় পরিশ্রম করে কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করবে। তাই শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিকুলাম পরিবর্তন করতে হবে।

advertisement
Evaly
advertisement