advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হাসপাতালে কেন অভিযান চালাতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ আগস্ট ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৯ আগস্ট ২০২০ ২২:৩৫
advertisement

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এককভাবে অভিযান চালানোর বিপক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন। কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে অনিয়ম পেয়ে কয়েকটি হাসপাতাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান বন্ধ করে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে তার অবস্থানের কথা জানান। হাসপাতালগুলো

আইন ভাঙলে আইন অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জাহিদ মালেক বলেন, এটা অভিযান কেন? হাসপাতালে কি অভিযান করে? হাসপাতালে ইনকোয়ারি করে। অভিযান তো করে চিটাগং হিল ট্রাক্টসে। সেখানে সন্ত্রাসী থাকে, সেখানে অভিযান করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ^ মাতৃদুগ্ধ দিবস উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, মায়েদের বুকের দুধ খাওয়ানোর হার এখন বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বে এখন মায়েদের বুকের দুধ খাওয়ানোর হার ৪০ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশে মায়েদের বুকের দুধ খাওয়ানো হার ৬৫ শতাংশ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে করোনা ও বন্যার দুর্যোগের সময়েও বাংলাদেশে মায়েদের বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে মানুষকে উদ্ধুদ্ধ করতে স্বাস্থ্য খাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের অক্লান্ত শ্রমে বিশ^ আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ভ্যাকসিন হিরো থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারে পুরস্কৃত করেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই করোনার মহামারীতে দেশের স্বাস্থ্য খাতের সময়োচিত ভূমিকা গ্রহণের ফলে বিশ্বে করোনা শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার সবচেয়ে কম দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমেছে। বাসায় বসে রোগীরা চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন, বাসায় থেকে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন প্রায় ৯০ শতাংশ করোনা রোগী। করোনা টেস্ট কিটের অভাব নেই। বন্যার কারণে ও বাসায় বসে চিকিৎসায় সুস্থ হওয়ায় হাসপাতালে রোগী কমছে।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি টেস্টের সংখ্যা কমেছে, সেটা হয়তো বন্যার কারণে। টেস্ট করানোর ক্ষেত্রে কিছু মানুষের অনীহাও আছে। বর্তমানে মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। দেশে মৃত্যুর হার আস্তে আস্তে কমে আসছে। মানুষ সেবা পাচ্ছে হাসপাতালে এবং টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে। ৪ থেকে ৫ হাজার ডাক্তার টেলিমেডিসিন সেবা দিচ্ছেন। প্রয়োজনে ওষুধ বাসায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে প্রায় ৬০ শতাংশ সিট খালি।

advertisement
Evaly
advertisement