advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাবমেরিন ক্যাবল কাটা : তিন আসামিকে খুঁজছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ আগস্ট ২০২০ ২৩:০৯ | আপডেট: ১১ আগস্ট ২০২০ ০৮:৩২
সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন। পুরোনো ছবি
advertisement

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের পাওয়ার সাপ্লাইয়ের সংযোগ ক্যাবল কেটে সঞ্চালন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে আজ সোমবার দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়াও তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

এর আগে, গতকাল রোববার রাতে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্টেশনের নিরাপত্তা কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ বাদী হয়ে মহিপুর থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কুয়াকাটা পৌর মেয়রের ভাই হোসেন মোল্লা ও মাটি ব্যবসায়ী আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মইনুল হাসান জানান, মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। যেহেতু রাষ্ট্রীয় কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করা হয়েছে এবং অনেক ক্ষতি হয়েছে, সেহেতু বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। 

এজাহারভুক্ত অন্য তিন আসামি হলেন-নজরুল ইসলাম, আবুল কালাম ও আব্দুস সালাম।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মহিপুর থানাধীন লতাচাপলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার উদ্দিন মোল্লার ভাই হোসেন মোল্লা একটি জমির চারদিকে বাঁধ তৈরি করছিলেন। এজন্য তার নিয়োগ করা শ্রমিকেরা সাবমেরিন ক্যাবল স্টেশনের পাশের একটি জমিতে মাটি কাটার যন্ত্র (এক্সাভেটর) দিয়ে মাটি কেটে তুলছিল। এ সময় ভূগর্ভস্থ ক্যাবলটি কেটে ২০ ফুট ওপরে উঠে যায়। এতে সারা দেশে ইন্টানেটে ধীরগতি হয়ে পড়ে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া হোসেন মোল্লা ও আবুল হোসেনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে গতকাল রোববার রাতেই বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। প্রায় ১১ ঘণ্টা ইন্টারনেট সংযোগ লাইন বিচ্ছিন্ন থাকার পর রাত সাড়ে ১২টার পর ছিঁড়ে ফেলা পাওয়ার সাপ্লাই লাইন সংযোগ স্থাপন করেন প্রকৌশলীরা। এরপর স্বাভাবিক হয় ইন্টারনেট সরবরাহ।

advertisement
Evaly
advertisement