advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ আগস্ট ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১১ আগস্ট ২০২০ ০০:৪৭
advertisement

ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে বন্যা হলে তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে জানিয়ে এ বিষয়ে প্রস্তুত থাকতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে আনোয়ারুল বলেন, মন্ত্রিসভা বৈঠকে বন্যা ও পুনর্বাসন কর্মসূচি নিয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে। গত কয়েক দিন থেকে পানি নেমে যাচ্ছে। আজকে (গতকাল) যমুনা নদীর পানি বঙ্গবন্ধু ব্রিজের ওখানে পানি অলরেডি বিপৎসীমার বেশ নিচে চলে গেছে। পদ্মা নদীর পানির স্তর ও গতি কমেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভারতের আবহাওয়া বিভাগের প্রেডিকশন আছে যে আগে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সে জন্য প্রধানমন্ত্রী

পার্টিকুলারলি এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন প্রস্তুত থাকতে হবে, যাতে একটা লংটার্ম বন্যা... এই যে পানিটা যাচ্ছে এটাও ১৮-২০ দিন হয়ে গেছে। ১৮-২০ দিন পর পানিটা অনেকটা নিচে নেমে যাচ্ছে, যেটা উনি (প্রধানমন্ত্রী) বিশেষ করে সতর্ক করলেন, ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি যদি কোনো বন্যা আসে তাহলে সেটা কিন্তু লংটাইমে এটা প্রিভেইল করার সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং আমাদের প্রস্তুতিটা ওখানে রাখতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমাদের পুনর্বাসন কার্যক্রম, বিশেষ করে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের আন্ডারে কিছু প্রোগ্রাম আছে, একটা প্রোজেক্ট আছে সেই প্রোজেক্টে তিনটি কম্পোনেন্টে ইমপ্লিমেন্ট করার কথা আছে। একটা হলো ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ঘরবাড়ি রিহ্যাবিলিটেশন করবে। আরেকটা হলো স্থানীয় সরকার তাদের ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামত করবে, পানি উন্নয়ন বোর্ডকেও সেখানে ইনক্লুড করা আছে। সেখানে একটা বড় টাকা ধরা আছে যদি কোথাও নদীর বাঁধ ভেঙে যায় ওটাকে তাড়াতাড়ি মেরামত করার জন্য। সেই বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা ম্যাসিভ অ্যাগ্রিকালচারাল রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম আছে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিয়েছেন যে, আমনের বীজ যেহেতু নষ্ট হয়ে গেছে এ জন্য একটু উঁচু জায়গায় করার জন্য। বিশেষ করে পানিসহিষ্ণু ভ্যারাইটি। কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক বলছেন, তারা যে নতুন জাত আবিষ্কার করেছেন সেটা ১৫ দিন পানির নিচে থাকলেও নষ্ট হবে না।

রোপা আমনের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রোপা আমন ঠিকভাবে হলে আমাদের শর্টেজ হওয়ার সম্ভাবনা কমবে। শর্টেজ অ্যাকচুয়ালি হবে না গতবারের তুলনায়। গতবার আমনে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ লাখ টন, এবার লক্ষ্যমাত্রা ৩৬ লাখ টন। সে তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে। তবে গতবারের তুলনায় উৎপাদন আশা করা যাচ্ছে বেশি হবে ইনশাআল্লাহ।

advertisement
Evaly
advertisement